আধার ও এপিক লিঙ্ক করে বায়োমেট্রিক মেশিন দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে করাতে হবে ভোট! কমিশনের চাপ বাড়িয়ে বড় দাবি শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: ভোটার এপিক কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক করতে আধার কার্ড। রেশন দোকানে যেমন আঙুলের বায়োমেট্রিক দিতে হয় তেমন ভাবেই বাংলাতে ভোট করানোর দাবি তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। বছর ঘুরলেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের আগে 'ভূতুড়ে ভোটার' নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।
এর মধ্যেই এবার এই ইস্যুতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । শুধু তাই নয়, কড়া ভাষায় তীব্র আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনে এদিন দীর্ঘক্ষণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিরোধী দলনেতা।

বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় ঢুকিয়েছে। রোহিঙ্গ মুসলিম, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম তোলা হয়েছে। এমনকী মুর্শিদাবাদ, মালদহ সহ ৯টা সীমান্তবর্তী জেলায় ভুয়ো ভোটারের নাম তৃণমূল কংগ্রেস ঢুকিয়েছে বলেও এদিন দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী।
আর সেই কারণেই আধার ও এপিক লিঙ্ক করে বায়োমেট্রিক মেশিন দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ভোট করানোর দাবি তোলেন। এমনকী রেশন দোকানে যদি এই সিস্টেমে রেশন তোলা যায়, কেন বাংলার ভোটে এই পদ্ধতিতে ভোট করানো সম্ভব নয়? প্রশ্ন তাঁর।
এদিন এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, বারবার বিজেপির তরফে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাম পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় আছে সে বিষয়ে অভিযোগ জানানো হয়। ১৫০০০ পাতার অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। কিন্তু সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কিছুই করেনি বলে তোপ।
এমনকী এক্ষেত্রে কলকাতায় নিযুক্ত মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককেও একহাত নেন। বলেন, আগে যিনি সিইও ছিলেন তিনি মমতার হয়ে কাজ করতেন। ফলে এখন ১৬ লক্ষ ডবল এন্ট্রি নির্বাচন কমিশনকে বাদ দিতে হবে বলেও তোপ।
অন্যদিকে এদিন মুখ্যমন্ত্রীকেও তীব্র আক্রমণ শানান। যেভাবে এআরওদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলা হচ্ছে তা এক্তিয়ার বহির্ভূত বলেও তোপ দাগেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী জেলাশাসক সহ নির্বাচনের সঙ্গে যুক্তদের ভত দেখাচ্ছেন। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি জানান। অবিলম্বে এই সমস্ত আধিকারিকদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি বিজেপি নেতার।
এ৪ই প্রসঙ্গে আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথায় এআরও বা ডিএমরা যাতে কেউ ভয় না পান সেই কথা নির্বাচন কমিশনকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠক করে বলতে হবে বলেও দাবি তোলেন।












Click it and Unblock the Notifications