বিধানসভায় নিয়োগেও দুর্নীতি! জাল মার্কশিটে কাজ করছে TMC ক্যাডার, বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী
রাজ্যে মাধ্যমিকের পরে প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতি (corruption) নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই (cbi)। আদালতে হাজিরা দিয়েছেন, মধ্য শিক্ষা পর্যদের প্রাক্তন সভাপতি থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিও। এবার বিধানসভায় নিয়োগে দুর্
রাজ্যে মাধ্যমিকের পরে প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতি (corruption) নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই (cbi)। আদালতে হাজিরা দিয়েছেন, মধ্য শিক্ষা পর্যদের প্রাক্তন সভাপতি থেকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিও। এবার বিধানসভায় নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন বিরোঘী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। এব্যাপারে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকারকেই নিশানা করেছেন। যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ থেকে তৃণমূল মহাসচিব, সবাই।

শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিধানসভার বাইতরে করা সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল জমানায় বিধানসভায় নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ এই রাজ্যের নয় ভিনরাজ্যের অষ্ঠম শ্রেণি, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করছেন অনেকে। এব্যাপারেতিনি হাতে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন। তার ওপরে ভিত্তি করে আরটিআই করবেন। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ এই নিয়োগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূল ক্যাডারদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরাই তৃণমূলের হয়ে বাইরে মিছিল-মিটিরং করেন। আর ভোটের সময় বুথ দখল করেন। নিয়োগ করা হয়েছে গ্রুপ ডি ও সিকিউরিটি হিসেবে। এরাই বিধানসভায় বিজেপির বিধায়কদের হেনস্থা করে বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এব্যাপারে সব তথ্য পেলে জানানো হবে।

বড় অংশ বারুইপুরের
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেছেন, বিধানসভায় যাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের একটা বড় অংশ বারুইপুরের। এব্যাপারে বলে রাখা ভাল বারুইপুর হল অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এলাকা। অন্যদিকে যদি দক্ষিণ ২৪ পরগনা ধরা হয়, তাহলে সেই আঙুল ওঠে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেও।

বাজে কথা, বলেছেন অধ্যক্ষ
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে রাজি হননি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, সব অভিযোগকে তিনি এক করে ফেলছেন। অধ্যক্ষ বলেন, ওঁর (শুভেন্দু) তো অ্যাটেন্ডেন্টকে তাঁকেই (অধ্যক্ষ) নিয়োগ করতে হবে। এই কবছরে রাজভবনে কতজনকে নিয়োগ করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তোলেন অধ্যক্ষ। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যা নিয়োগ করা হয়েছে সব নিয়ম নেমে, হয়েছে পুলিশ ভেরিফিকেশনও। যাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের মেডিকেলও হয়েছে। তাই সেখানে দুর্নীতির কোনও জায়গা নেই।

বিধানসভার কর্মীদের অপমান
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ প্রসঙ্গে রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন দাবি করেছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে প্রকাশ্যে বলতে হবে, তিনি যদি এই অভিযোগের প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দেবেন এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবেন।। অন্যদিকে পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীর এই অভিযোগ বিধানসভার কর্মীভাইদের অপমান। বিষয়টিকে অবমাননাকর বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও দাবি করেছেন, সব নিয়োগ আইন মেনেই হয়েছে। শুভএন্দু অধিকারীর করা মন্তব্যের প্রতিবাদ করে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ২০১১ সালের পর থেকে ২০২১ পর্যন্ত ৯০% সময় সরকারে থাকলেও কিছুই বলেননি শুভেন্দু অধিকারী। অধ্যক্ষের ওফরে রাগ থেকেই এই মন্তব্য বলে মনে করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications