বর্ধমান হাসপাতালের সাসপেন্ড পড়ুয়ারা ক্লাস করতে পারবে, নির্দেশ হাইকোর্টের
বড় রায় কলকাতা হাইকোর্টের। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১০ পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সেই পড়ুয়াদের পক্ষেই রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তাদের ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হল৷
ওই পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি৷ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠায় বিতর্ক দানা বাঁধে। গত ১১ অক্টোবর র্যাগিংয়ের অভিযোগে কলেজ কাউন্সিল তাদের সাসপেন্ড করে।

সাসপেন্ড হওয়া ছাত্রদের ক্লাস ও হস্টেলে ঢোকা নিষিদ্ধ করা হয়। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিযুক্ত পড়ুয়ারা। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে মামলা ওঠে৷ এদিন এই মামলায় বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তাদের ক্লাস করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এখনই তারা হস্টেলে ঢুকতে পারবেন না।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী। তিনি আদালতে প্রশ্ন তোলেন,
রেজোলিউশন ঠিক ছিল কী না, সেটা দেখতে হবে। র্যাগিংয়ের চার্জ কি? কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি? অভিযোগ কোথায়? পাঁচ বছর আগের অভিযোগ। কী এখনই পদক্ষেপ নেবে?
আদালতে থ্রেট কালচার প্রসঙ্গও ওঠে৷
যদিও বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, ছাত্রদের ক্রমাগত চাপ দেওয়াকেও র্যাগিং বলে। ইশা পাল সহ অভিযুক্তরা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের আন্ডার গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট। এদিন হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, ক্লাস করতে পারবে অভিযুক্তরা৷ তবে এখন হস্টেলে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলনে বসেন। একের পর এক অভিযোগ উঠতে শুরু করে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে বেনজির দুর্নীতির অভিযোগ আসতে থাকে। পাশাপাশি টাকা তোলা, জুনিয়রদের হুমকি, র্যাগিং প্রভৃতি বিষয়ও সামনে চলে আসে।
সরকারি হাসপাতালের পড়ুয়াদের সঙ্গে দাদাগিরি সহ থ্রেট কালচার প্রসঙ্গ জুড়ে যায়। শুধু কলকাতায় নয়, জেলা সরকারি হাসপাতালগুলিতেও এই অভিযোগ উঠতে থাকে। এরপর জড়িয়ে যায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নামও৷












Click it and Unblock the Notifications