Sushanta Ghosh: পুলিশের জালে 'মাস্টারমাইন্ড' ইকবাল! সুশান্তকে ফোনে পাশে থাকার বার্তা মমতার
Sushanta Ghosh: কসবা কাণ্ডে বড়সড় সাফল্য কলকাতা পুলিশের! ঘটনার অন্যতম 'মাস্টারমাইন্ড' ইকবালকে গ্রেফতার করল লালবাজার। তার আসল নাম আফরোজ খান বলে জানা যাচ্ছে। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে পূর্ব বর্ধমানের গলসি থেকে লালবাজারের গোয়েন্দারা ইকবালকে গ্রেফতার করে বলে জানা যাচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি পুরো ঘটনার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। তবে এর পিছনে আরও বড় মাথা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু কে? সেটাই খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এমনকি কি কারণে এই ঘটনা তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

অন্যদিকে ঘটনার পরেই আজ শনিবার ১০৮ নম্বর তৃণমূল কাউন্সিলরকে ফোন করে পুরো ঘটনার খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি পরে ফিরহাদ হাকিমকেও ঘটনাস্থলে পাঠান বলে খবর। শুধু তাই নয়, দীর্ঘক্ষণ সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন তিনি। পরে সুশান্ত ঘোষ জানান, ভয় পাচ্ছি না। তবে ঘটনায় আমি ব্যথিত। যেভাবে আমার ওয়ার্ডেও গুলি চালানো হল তা এখনও মেনে নিতে পারছি না। তবে লড়াই চলবে বলে জানান তৃণমূল নেতা।
সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে অভিষেক, অরূপ বিশ্বাস সহ সমস্ত শীর্ষ নেতৃত্ব পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করে আশ্বাস দিয়েছেন। সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে লড়াই চলবে বলেই দাবি সুশান্ত ঘোষের। তবে এদিন পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এমনকি কলকাতা পুলিশের ইন্টিলিজেন্স নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
পুরসভায় ফিরহাদ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলার পরেও কীভাবে অস্ত্র বাংলায় ঢুকছে। কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? কার্যত মেজাজ হারিয়েই মেয়র বলেন, 'এনাফ ইজ এনাফ, অ্যাক্ট নাও'। বাংলায় কখনই উত্তরপ্রদেশের কালচার নিয়ে আসা যাবে না। বাংলা সংস্কৃতির জায়গা বলেও মন্তব্য বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতার।
একই সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ এবং তাঁর পরিবারের পাশে থাকার কথাও বলেন। ফিরহাদের কথায়, দুষ্কৃতী আটকানো কাউন্সিলর বা মেয়রের কথা নয়। পুলিশের কাজ। পুলিশকে বলছি, দুষ্কৃতী আটকান।
অন্যদিকে শুক্রবার রাতেই যুবরাজকে গ্রেফতার করে কসবা থানার পুলিশ। বিহারের বাসিন্দা এই যুবরাজই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। কিন্ত্য তা না চলায় প্রাণে বেঁচে যান সুশান্ত। এরপরেই স্থানীয় মানুষজন যুবরাজকে ধরে ফেলে। কিন্তু দ্রুত স্কুটি নিয়ে চম্পট দেয় তাঁর সঙ্গী ধৃত ইকবাল।
এরপর থেকেই তাকে ট্র্যাক করে পুলিশ। আজ বর্ধমান থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। ঘটনায় ইকবালের বড় ভূমিকা আছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে সে একা নাকি এর পিছনে বড় কোনও মাথা আছে সেটাই বোঝার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications