বিশাল সম্পত্তির মালিক হওয়াটাই কি কাল হল সুবীরবাবুর জীবনে? জোড়া খুনের তদন্তে একাধিক প্রশ্ন তদন্তকারীদের সামনে
পুজো মিটতেই শহরের বুকে জোড়া খুন! গড়িয়াহাটের কাকুলিয়ায় দোতলা বাড়ি থেকে উদ্ধার দুই প্রৌঢ়ের রক্তাক্ত দেহ। মৃত দুই ব্যক্তির নাম সুবীর চাকি এবং রবীন মণ্ডল। তাঁদের দেহের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে বলে জানিয়েছে
পুজো মিটতেই শহরের বুকে জোড়া খুন! গড়িয়াহাটের কাকুলিয়ায় দোতলা বাড়ি থেকে উদ্ধার দুই প্রৌঢ়ের রক্তাক্ত দেহ। মৃত দুই ব্যক্তির নাম সুবীর চাকি এবং রবীন মণ্ডল। তাঁদের দেহের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে কি কারনে খুন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা এর জোড়া খুনের পিছনে রয়েছে কোটি টাকার সম্পত্তি। অন্যদিকে ইতিমধ্যে তদন্তকারীদের হাতে এসেছে নিহত সুবীর চাকী ও তাঁর গাড়িচালক রবীন মণ্ডলের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট। সেখানেও ধারালো অস্ত্রের কোপ থাকার কথা বলা হয়েছে।
পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে গড়িয়াহাটের বাড়িটির মালিক সুবীর চাকির। আর তাঁর গাড়ির চালক রবীন মণ্ডল। সুবীরবাবুও যে গাড়িটিতে চড়েন সেটির মূল্য কোটি টাকা। রবিবার সন্ধ্যায় গড়িয়াহাটের কাকুলিয়ার বাড়িতে যান সুবীরবাবু। ড্রাইভার নিয়েই সেখাণে যান। কিন্তু গভীর রাত পর্যন্ত কোনও খোঁজ না পাওয়াতে উদ্বেগে পড়ে যান তাঁর পরিবারের লোকজন।
এরপরেই পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। রাতে কাকুলিয়ার বাড়িতে পুলিশ পৌঁছালে তাঁদের সেখানে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁদের।
পোস্ট মোর্টেম রিপোর্ট বলছে রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ খুন হতে হয়েছে সুবীর বাবুকে। তবে হাই প্রোফাইল এই খুনের ঘটনাতে একাধিক তথ্য উঠে আসছে। শুধু তাই নয়, একাধিক প্রশ্নের উত্তরও পাচ্ছেন না কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে নেমে বেশ কয়েকটি জিনিস ভাবাচ্ছে তাঁদেরকে? কেন খুন হতে হল সুবীর বাবুকে? এর পিছনে কি শুধুই সম্পত্তি? ড্রাইভার কি দেখে ফেলাতেই খুন? প্রোমোটারের বিষয়টিও উড়িয়ে দিতে পারছেন না তদন্তকারীরা।
কারণ সুবীর চাকি গড়িয়াহাটের বিলাশবহুল বাড়িটিকে বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। পুলিশ আধিকারিকদের পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন যে, রবিবার বাড়ি বিক্রির বিষয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে গড়িয়াহাটের বাড়িতে গিয়েছিলেন। আর এরপরেই খুন।
কার সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন? আদৌও দেখা হয়েছিল? নাকি আগেই তাঁর আসার খবর খুনিদের কাছে চলে যায়? এই সমস্ত তথ্যের খোঁজ করছে পুলিশ। তদন্তকারীদের র্যাডারে একাধিক ব্যক্তি। পেশায় বেসরকারি সংস্থায় ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসাবে কর্মরত হওয়াতে বিশাল সম্পত্তির মালিক তিনি। আর সেটাই কাল হল সুবীরবাবুর জীবনে? উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
সুবীর মণ্ডল নিজে থাকতেন নিউটাউনে। উল্লেখ্য, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়নি সুবীর বাবুর মোবাইল ফোনও। এমনকী তাঁর গাড়ির চালকের মোবাইল ফোনও উধাও। আততায়ীরা প্রমাণ লোপাট করতেই মোবাইল ফোন দুটি সঙ্গে করে নিয়ে িগয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।












Click it and Unblock the Notifications