রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী দাবি তামিলনাড়ুবাসীর মনের কথা, স্ট্যালিন রইলেন একই জায়গায়
মাস খানেক আগে তামিলনাড়ুতে এম করুণানিধির মুর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে ডিএমকে নেতা স্ট্যালিন রাহুল গান্ধীকে ২০১৯-এ দেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।
মাস খানেক আগে তামিলনাড়ুতে এম করুণানিধির মুর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে ডিএমকে নেতা স্ট্যালিন রাহুল গান্ধীকে ২০১৯-এ দেশের নয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। তারপর ব্রিগেডের মঞ্চে রাহুলের হয়ে সওয়াল না করলেও, তিনি সাফ জানালেন, কোনও ভুল বলেননি তিনি।
স্ট্যালিনের সাফ কথা, সেদিন তামিলনাড়ুর মানুষের মনের কথা বলেছিলাম। আর ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে কোনও মন্তব্যের অবকাশ ছিল না। থাকলেও ব্রিগেড সমাবেশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাউকে তুলে ধরার মঞ্চ ছিল না। মোদী বিরোধী মহাজোটের মহামঞ্চের সিদ্ধান্তই হল প্রধানমন্ত্রী স্থির হবে নির্বাচন জয়ের পর।

সবার আগে দিল্লির ক্ষমতা বদলই মুখ্য উদ্দেশ্য। সবাই তা চায়, সেখানে কোনও দ্বিমত নেই। দ্বিমত নেই প্রধানমন্ত্রী স্থির হবে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর। আমরা সবাই একমত, একজোট। মোদীকে হটাতে হবে, দেশকে সুশাসন দিতে হবে। আর সেদিন বলেছিলাম, তামিলনাড়ুর মানুষ রাহুল গান্ধীকে চান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।
আজও তাঁরা চান, কিন্তু মোদী বিরোধী এই মহাজোট নাও চাইতে পারে। কেননা, প্রধানমন্ত্রী স্থির হবে ভোটের আসন প্রাপ্তির নিরিখে। কোন দল কী সাফল্য পেল, তার নিরিখে। দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি করা বৃথা।
উল্লেখ্য, স্ট্যালিন সেদিন বলেছিলেন ২০১৯-এ নতুন প্রধানমন্ত্রী আসছে দেশে। দিল্লির ক্ষমতা বদল ঘটতে চলেছে। আমরা তামিলনাড়ুর থেকে রাহুল গান্ধীর নাম প্রস্তাব করছি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। রাহুলই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। করুনানিধি-পুত্র আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ফ্যাসিস্ট মোদী সরকারকে উৎখাত করতে পারবেন একমাত্র রাহুল গান্ধীই। তাঁকে আমরা সমর্থ করছি। তাঁর পক্ষ নিয়েই আমরা এক হয়ে লড়ব।












Click it and Unblock the Notifications