মহালয়ার জেসিবির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু ছাত্রের, বিক্ষোভে উত্তাল বাঁশদ্রোণী, পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ
উৎসবের আমেজ শুরু হতে না হতেই বিষাদের সুর বাঁশদ্রোণীতে সকালে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে জেসিবির ধাক্কায় মৃত্যু এক পড়ুয়ার। দীনেশ নগরের ১১৩ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই ছাত্রের মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই পথ অবরোধ করে বিক্ষোভস্থ স্থানীয়দের।
এলাকার মানুষজন বলছেন যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে সেখানে ক'দিন ধরে রাস্তায় ছাড়াই এর কাজ চলছিল। এই অবস্থায় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে যাওয়ার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জেসিবি ধাক্কা মারে ছাত্রকে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। এরপরই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়, ঘাতক জেসিবি ভাঙচুর করেন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পুলিশ।

মৃত কিশোরের নাম সৌম্য শীল। মহালয়ার দিন সকালে টিউশন পড়তে যাচ্ছিল সে। দুর্ঘটনার সময় জেসিবি রাস্তা দিয়ে যাওয়ায় ধারে একটি গাছের পাশে দাঁড়িয়েছিল ছাত্রটি। হঠাৎ করেই জেসিবির ধাক্কায় রক্তাক্ত হয়ে পড়ে যায় সে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে জানায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার অবস্থা খারাপ। তারপরেও সেটা সারানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে না।
রাস্তার কাজ শুরু হলেও জলবৃষ্টিতে বিপজ্জনক অবস্থা তৈরি হয়েছিল। রাস্তায় স্টোন চিপস পড়ে থাকায় যাতায়াতে প্রবল সমস্যা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা। দুর্ঘটনার পরে কোনও পুরকাউন্সিলরকে এলাকায় দেখা যায়নি। তাতে আরও ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাসিন্দারা। পুলিশ প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে এসেছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। রাস্তায় গাছ ফেলে পথ অবরোধ করেন তাঁরা। তারপরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। ভাঙচুর করা হয় জেসিবিটিও।
রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধ তৈরি হয়। বাসিন্দাদের অভিযোগ বহিরাগতদের নিয়ে এসে তাঁদের মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে যেতেই ক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। রীতিমতো পালিয়ে বাঁচতে হয় তাঁকে। বাসিন্দাদের অভিযোগ গুণ্ডাদের নিয়ে এসে বিক্ষোভ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিলয












Click it and Unblock the Notifications