সিবিআই প্রশ্নে আরও আক্রমণাত্মক ! ৫০০ আর ৬০ হাজার টাকাতেই খুশি বাঙালি, বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
সোমবারের পরে মঙ্গলবারেও নিজের অবস্থানে অনড় বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) । এদিন তিনি পুজোয় অনুদান বৃদ্ধিকে কটাক্ষ করেছেন। দিলীপ ঘোষ। বলেছেন, পঞ্চায়েত ভোট দূরে আছে বর্তমানে যে বাচাও
সোমবারের পরে মঙ্গলবারেও নিজের অবস্থানে অনড় বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) । এদিন তিনি পুজোয় অনুদান বৃদ্ধিকে কটাক্ষ করেছেন। দিলীপ ঘোষ। বলেছেন, পঞ্চায়েত ভোট দূরে আছে বর্তমানে যে বাচাও সাধুবাবা চলছে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এ ধরনের দান খয়রাতি চলছে। পুজোর পরে কোনও কারণে তদন্ত ঢিলে হয়ে গেলে বাঙালি ৫০০ কোটি কিংবা ৩০০ কোটির অঙ্ক ভুলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন।

সাংগঠনিক বৈঠকে অনুপস্থিত থাকা প্রসঙ্গে
সোমবার সাংগঠনিক বৈঠকে অনুপস্থিত থাকা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, যে বৈঠকে থাকার দরকার সে বৈঠকে তিনি ছিলেন। ওই বৈঠকে তাঁর থাকার কথা ছিল না। দিলীপ ঘোষ বলেছেন তাঁকে একটা কোর কমিটির বৈঠকে ডাকা হয়েছিল যা ছিল সন্ধ্যা সাতটায়।
দূর থেকে আসা নেতাদের সঙ্গে তিনি ছোট বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলোম। নতুন কমিটিতে দিলীপ ঘোষ গুরুত্ব হারাচ্ছেন, সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতাপ প্রশ্ন কোথাকার নতুন কমিটি। সিবিআই নিয়ে নিজের অবসথান প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনি যা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেই বলেছেন।

মোদীকে টক্কর দেওয়ার তালিকায় নেই মমতা
দিলীপ ঘোষ ২০২৪-এর নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের সম্ভাব্য অবস্থানকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন গোয়া, ত্রিপুরা ভুলে গিয়ে অভিষেকের ফোকাস এখন জঙ্গলমহল। উনার একজন নেতা (ডেরেক ও'ব্রায়েন) টুইট করে বলেছেন, মহাজোট দরকার নেই। দিলীপ ঘোষ বলেছেন, মোদিকে হারাবার জন্য যে চেষ্টা করেছেন আমাদের নেত্রী সেটা সফল হয়নি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে উনি কী রকম বিশ্বাসঘাতক সেটা সবাই জেনে গিয়েছেন। দুর্ভাগ্যের বিষয়, মোদীকে টক্কর দেবে কে ? যে লিস্টে ১ নম্বরে তাঁর নাম ছিল, তা কেটে গিয়েছে।
এখন নীতীশ কুমার আর কেজরিওয়ালের নাম রয়েছে। যার একটাও একটাও এমপি নেই তিনি নাকি মোদিকে হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবেন, এরকম গল্প চলছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম কেউ নিচ্ছেন না।

দুর্গাপুজো নিয়ে
দুর্গাপুজোয় মাতামাতি করা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, লীলা-মেলা-খেলা যে বাংলায় চলে, সেটা করেই বাংলা বাঙালিকে ভুলিয়ে রাখতে হবে। বড় মিছিল করুন, নাচ-গান খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করুন। সবাই কেষ্টর নাম ভুলে যাবে। ৫০০ টাকা পেয়ে তাতেই খুশি,পুজো করার জন্য ষাট হাজার টাকা পেয়ে তাতেই খুশি।

বিজেপির চাপেই টাকা দেওয়া বন্ধ করেছে কেন্দ্র
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ১০০ দিনের কাজের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন দেবে না তো। এব্যাপারে তারাই অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রের পাঠানো টাকা লুঠ হচ্ছে। যে নেতাদের বাড়িতে কোটি কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে, কোথাকার টাকা?
কেন্দ্রের পাঠানো টাকা গরিব মানুষের টাকা। যে প্রকল্পের টাকার হিসাব যাবে না, তা বন্ধ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, কেন্দ্র স্বাভাবিকভাবে সব রাজ্যকে সমান দেখে। কিন্তু দুর্নীতি হচ্ছে এবং বিজেপি কর্মীদের ওপরে অত্যাচার হচ্ছে।

সিবিআই নিয়ে অবস্থানে অনড়
দিলীপ ঘোষ বলেছেন, যখন তিনি রাজ্য সভাপতি ছিলেন, তখন অত্যাচার হয়েছে, খুন হয়েছে। ভোটের পরে প্রায় ৬০ জন কর্মী খুন হয়েছে। তার জন্য তারা আদালতে গিয়েছিলেন। আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। সেক্ষেত্রে কতজন সাজা পেয়েছে, মৃত কর্মীর পরিবারকে বিজেপি কতটা জাস্টিস দিতে পেরেছে প্রশ্ন করেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁর প্রশ্নে কারও খারাপ লাগে লাগতেই পারে, কিন্তু কাউকে খুশি করবার জন্য রাজনীতি করছেন না, বাংলার সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করেন বলে স্পষ্ট জানান দিলীপ ঘোষ।
তিনি বলেছেন, এখানকার পুলিশ প্রশাসনের ওপরে বিজেপির ভরসা নেই। তাই তারা আদালতে গিয়েছিলেন। সিবিআইয়ের ওপর যদি ভরসা না পান, সে কথা তিনি কেন বলবেন না, প্রশ্ন করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, যখন দেশের কোনও সংস্থার ওপরে ভরসা না থাকে তখনই প্রশ্ন ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications