কর্মবিরতি চলবে! আন্দোলনের গতিপথ নিয়ে আজ ফের বৈঠক চিকিৎসকদের
জুনিয়র চিকিৎসকরা কি কাজে ফিরতে চান? পুজোর সময় আন্দোলন কি তারা প্রত্যাহার করবেন? সেই নিয়ে যথেষ্ট চর্চা চলছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আবারও বৈঠক রয়েছে। সিনিয়র ও জুনিয়র চিকিৎসকরা আজ দুপুরে বৈঠকে বসছেন।
আরজি কর হাসপাতালের প্ল্যাটিনাম জুবিলি হলে বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকেই আগামী কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে। মানুষ পুজোর আনন্দে সামিল হতে শুরু করেছে৷ সেই অবস্থায় আন্দোলন কীভাবে হবে? সেই চর্চাও চলছে৷

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে টানা অবস্থান আন্দোলন চলেছে। সাধারণ মানুষ তাদের আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সরকার পক্ষ একাধিক বার তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন।
দ্বিতীয় বার জুনিয়র চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে গিয়েছেন। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারপরে তাঁরা কর্মবিরতিতে গিয়েছেন। ১০ দফা দাবি জানানো হয়েছে সরকারের কাছে। শহর কলকাতায় মহামিছিল হয়েছে। ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভা হয়েছে। কিন্তু সেই ভাবে কি আন্দোলন এবার জমাট বেঁধেছে? প্রশ্ন উঠেছে।
জেলার একাধিক সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা এবার সম্পূর্ণ কর্মবিরতিতে যোগ দেননি। ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গুলিতে জুনিয়র ডাক্তাররা কাজ করছেন। অন্যান্য একাধিক সরকারি হাসপাতালেও আউটডোর ও এমার্জেন্সি পরিষেবা চলছে। লাগাতার কর্মবিরতির পক্ষে কি ঐক্যমত হওয়া যাচ্ছে না! সেই প্রশ্ন উঠছে।
অনেক জুনিয়র চিকিৎসক কাজ করার পক্ষে মতামত রাখছেন। অনেকে আবার ধারাবাহিক কর্মবিরতির বিরুদ্ধে রয়েছেন। টানা কর্মবিরতিতে গিয়ে এবার কতটা আন্দোলন ফলপ্রসু হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে চিকিৎসকদের এই আন্দোলন। সাধারণ মানুষদের পরিষেবা দিতে হবে। ধারাবাহিকভাবে পরিষেবা বন্ধ থাকলে সাধারণ মানুষরা তাদের পক্ষে থাকবেন? সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
উৎসব মরসুমে মানুষের কাছে কী বার্তা দেওয়া হবে? সিনিয়র ও জুনিয়র চিকিৎসকদের ঐক্যমত হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। সেই হিসেবেই এবার আলোচনা। এই কথা জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications