কলকাতায় বেড়েই চলেছে করোনা হটস্পটের সংখ্যা, ফের শুরু কড়া লকডাউনের জল্পনা
কলকাতায় বেশ কয়েকটি এলাকায় ফের সম্পূর্ণ লকডাউন জারি হতে পারে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে কনটেইনমেন্ট জোন বা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে কলকাতার মোট ১৮টি এলাকা। এই এলাকাগুলি থেকে সংক্রমণ যাতে না ছড়িয়ে পরে তার জন্যই লকডাউনের পক্ষে সওয়াল করেছে পুরকর্তৃপক্ষ। মূলত আবাসনগুলিতে শুরু হয়েছে করোনার বাড়বাড়ন্ত। গত কয়েক সপ্তাহে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি আবাসনের বাসিন্দা।

কলকাতায় ১৮৭২টি আইসোলেশন ইউনিট
এদিকে আইসোলেশন ইউনিট হিসেবে শুধুমাত্র কলকাতাতেই চিহ্নিত হয়েছে ১৮৭২টি এলাকা। এই সমস্ত এলাকাগুলিতে করোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু সংক্রমণ হয়নি। তাই আইসোলেশন ইউনিট এলাকাগুলি খোলাই থাকবে। তবে আবাসনে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় এই সমস্ত এলাকাগুলিতে সম্পূর্ণ লকডাউন করার বিষয়টি নবান্নের কাছে উত্থাপন করা হয়েছে।

শহরের বাজারগুলিতে করোনা সংক্রমণ
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই করোনা সংক্রমণে প্রশাসনের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল শহরের বাজারগুলি। বড়বাজার, তোপসিয়া, কাঁকুড়গাছি, বেলেঘাটা সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বহুতলে আক্রান্তের সংখ্যা বিগত কয়েক সপ্তাহে বাড়ছিল। উল্টোদিকে, শহরের বস্তি এলাকায় গোষ্ঠী সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৬১ জন
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৬১ জন। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এখনও পর্যন্ত একদিনে করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর নিরিখ এই সংখ্যাই সর্বাধিক৷ এই নিয়ে রাজ্যে মোট কোরোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বেড়ে হল ২২ হাজার ৯৮৭। ৬ জুলাই ৫২৪ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। এ নিয়ে রাজ্যে মোট ১৫ হাজার ২৩৫ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৬৬.২৭ শতাংশ।

রাজ্যে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের সংখ্য়া ৫৮২
বর্তমানে, রাজ্যে সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের সংখ্য়া ৫৮২। এই মুহূর্তে সেখানে ৫ হাজার ৬০৫ জন রয়েছেন। এ পর্যন্ত সরকারি কোয়ারানটিন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৯৯ হাজার ২৭ জন। এখনও পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে মোট ৩ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮১০ জন রয়েছেন। এই মুহূর্তে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৪১ হাজার ৫২০ জন। ছাড়া পেয়েছেন ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ২৯০ জন।

এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা হাসপাতালের সংখ্যা ৭৯
ভিনরাজ্য থেকে যাঁরা ফিরছেন, তাঁদের জন্য এই মুহূর্তে রাজ্যে ২ হাজার ৬০৩টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ১১ হাজার ৯০১ জন রয়েছে। ছাড়া পেয়েছে ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪২৫ জন। এছাড়া এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা হাসপাতালের সংখ্যা ৭৯। এর মধ্যে ২৬টি সরকারি ও ৫৩টি বেসরকারি। করোনা হাসপাতালগুলিতে মোট শয্য়ার সংখ্যা ১০ হাজার ৬০৭। আইসিইউ যুক্ত শয্যার সংখ্যা ৯৪৮।












Click it and Unblock the Notifications