Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মানবাধিকার কমিশন নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রাখল! দাড়িভিটের ঘটনায় 'বিস্মিত' হাইকোর্ট

দাড়িভিটের স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে বিতর্ক এবং গুলিতে দুই যুবকের খুনের শুনানি অবশেষে শেষ হল। যদিও রয়দান স্থগিত রাখলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থার বেঞ্চ। তবে এদিন এই ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি মান্থা। একই সঙ্গে কীভাবে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রাখল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি মান্থা।

গত প্রায় সাড়ে চার বছর আগে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তাপস এবং রাজেস নামে দুই ছাত্রের। আর সেই ঘটনায় গোটা রাজ্যজুড়ে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি। যদিও এইউ ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানি আজ সোমবার শেষ হয়েছে। রায়দান স্থগিত রেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে আজ মামলায় আদালতের তোপের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার।

দাড়িভিটের ঘটনায় বিস্মিত হাইকোর্ট

বিচারপতি রাজ্যকে এদিন বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট ভুলে যান। এখনো ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতি পূরণ দেওয়ার ব্যাবস্থা হয়েছে? প্রায় চার বছর হয়ে গিয়েছে টানা এই মামলা চলছে। আবার এখন ক্ষতিপূরন দেওয়া নিয়ে ইনস্ট্রাকশন নিতে হবে? প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের। পাশাপাশি

রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি মান্থা। গোটা ঘটনা ক্রমে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রেখেছে বলে পর্যবেক্ষণ আদালত। এমনকি দূর থেকে গোটা ঘটনাক্রম দেখছে। এমনকি ডিএম, এসপিকে এতটাই ভরসা করে, তাদের থেকে রিপোর্ট চেয়েই দায়িত্ব সেরেছে বলেও তোপ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। এই ভূমিকা কি যথেষ্ট? প্রশ্ন বিচারপতি।

যদিও রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয় যে ২০২০ সালে কমিশনের সদস্য ছিল না! সেই পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের প্রশ্ন, ২০২০ সালে না হয় কমিশনের সদস্য ছিল না। কিন্তু ২০১৮ থেকে দু'বছর কি করেছে রাজ্য কমিশন। সেই তুলনায় জাতীয় কমিশন সেখানে লোক পাঠিয়ে পরে থেকে একটা রিপোর্ট তৈরি করেছে। তাদের সেই রিপোর্ট নিয়ে যতই বিতর্ক হোক। তবু তারা সেটা করেছে। কিন্তু আপনারা কি করেছেন?

দাড়িভিটের ঘটনায় বিস্মিত হাইকোর্ট

রাজ্যকে প্রশ্ন, কোথায় প্রমাণ আছে, আইও অভিযোগকারীদের কাছে গেছিলেন কিনা তা নিয়েও রাজ্য সরকারকে প্রশ্নবাণ বিচারপতি মান্থার। আর সেই প্রশ্নবাণের মুখে কার্যত অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার।

বলে রাখা প্রয়োজন, দাড়িভিটের স্কুলে ঘটনার সূত্রপাত স্কুল শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র। সেখানকার একটি স্কুলে অঙ্ক এবং বিজ্ঞানের শিক্ষকের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেখানে উর্দু এবং সংস্কৃত শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। বাংলা স্কুলে কেন উর্দু শিক্ষক তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শুরু হয় আন্দোলন। ২০১৮ সালের সেই ঘটনায় গুলিতে মৃত্যু হয় দুই ছাত্রের। আর সেই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়ে যায় তৃণমূল। বিষয়টিকে নিয়ে ময়দানে নামে বিজেপি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+