কাকুর শরীর স্থিতিশীল নয় জানালো এসএসকেএম, সুজয়কৃষ্ণের নাগাল আজও পেল না ইডি
শুক্রবারও কালীঘাটের কাকুর নাগাল পেল না কেন্দ্রীয় তথ্যকারী সংস্থা ইডি। হাসপাতালে সেই সাত সকাল থেকে ইডির আধিকারিকরা বসে থাকলেন। কিন্তু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অসুস্থ। নাটকীয়ভাবে পরতে পরতে ঘটনার মোড় বদলাল। দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল শারীরিকভাবে তিনি স্থিতিশীল নন। সেই কারণেই ইডির হাতে কাকুকে ছাড়া যাবে না।
রাজনৈতিকভাবে এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আজই তাকে ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সমস্ত কিছু ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু সমস্যায় ফেলল কাকুর বুকে ব্যথা। কীভাবে হঠাৎ করে কাকু অসুস্থ হয়ে পড়লেন? তাই নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে।

এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল কী করবেন? শুরু হয়ে গিয়েছে সেই ভাবনা। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের মেডিকেল টেস্টের সমস্ত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল চেয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগের ও এখনকার সমস্ত রিপোর্ট দিতে হবে। এ কথা জোর দিয়ে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।
সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কতটা শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে? যে জন্য তিনি হাসপাতাল থেকে বের হতে পর্যন্ত পারলেন না! তদন্তকারীরা বারবার দাবি করছেন সুজয়কৃষ্ণ কণ্ঠস্বরের নমুনার পরীক্ষা দিতে চাইছেন না। সে কারণেই এই হাসপাতালে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে থাকছেন। ফের একই ঘটনা দেখা গেল এবার। তদন্তকারীরা কোন দিকে যাবেন? ফের কি তারা আদালতের দারস্থ হবেন? সেই প্রশ্ন উঠছে।
হঠাৎ করেই কালীঘাটের কাকুর বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায় শুক্রবার সকালে। এদিকে জানা যায়, এসএসকেএম হাসপাতালে প্রায় পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। আজই হাসপাতাল থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপরেই শুরু হয়ে যায় জটিল পরিস্থিতি। কাকুর শরীর আরও খারাপ হতে থাকে। তাকে কার্ডিওলজি বিভাগের আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়।
শুধু তাই নয়, শিশুদের বেডে এই মুহূর্তে কাকু চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কীভাবে এই ঘটনা ঘটতে পারে? সেই প্রশ্ন আবার উঠল। তবু ইডি কি কাকুর নাগাল পাবে? সেই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিল। শেষ অবধি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল, সুজয়কৃষ্ণের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়। তাই তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন না।












Click it and Unblock the Notifications