মডেল থেকে অভিনেত্রী, রহস্যময়ী হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের হদিশ মিলল বেহালায়
হাওড়ায় হৈমন্তীর বাড়ির সামনে ভিড় করছেন জনতা
যে হৈমন্তীকে ঘিরে রহস্যের পারদ চড়ছে। সেই রহস্যময়ী নারীর ফ্ল্যাটের হদিশ মিলল বেহালায়। বেহালা চৌরাস্তায় রাজা রাম মোহন রায় রোডে রয়েছে হৈমন্তী এবং গোপাল দলপতির ফ্ল্যাট। মাঝে মধ্যেই নাকি তাঁরা সেখানে এসে থাকতেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কালীঘাটের কাকু সুজয় ভদ্রের ফ্ল্যাটও কিন্তু রয়েছে সেই বেহালাতেই।

বেহালায় ফ্ল্যাট
যত কাণ্ড বেহালায়। পার্থ-অর্পিতা-কালীঘাটের কাকুর পর আবারও নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বেলাহা যোগ। এবার গোপাল দলপতি এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের হদিশ মিলল বেহালায়। বেহালা চৌরাস্তার কাছে রামমোহন রায় রোডের উপরেই রয়েছে হৈমন্তী গাঙ্গুলি তথা গোপাল দল পতির দ্বিতীয় স্ত্রীর ফ্ল্যাট। ২০১৫ সালে গোপাল দলপতি এবং হৈমন্তী এই ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। মাঝে মধ্যে সেখানে আসতেনও তাঁরা।

হাওড়ার বাড়ির সামনে ভিড়
হাওড়ায় হৈমন্তীর বাড়ি। সেখান থেকে গোপাল দলপতির সঙ্গে আলাপ হয় নাকি হৈমন্তীর। হাওড়ার উত্তর বাকসাড়ায় কাটুরিয়া পাড়ায় হৈমন্তীর বাপের বাড়ি। এখানে তিনি মাঝেমধ্যেই আসতেন বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের হাওড়ার বাড়িতে থাকেন তাঁর বাবা-মা ও পরিবার। খবর জানাজানি হতেই বাড়ি সামনে ভিড় করতে শুরু করেছেন কৌতুহলী জনতা। কয়েকদিন আগেই নাকি হৈমন্তী এই হাওড়ার বাড়িতে এসেছিলেন। কিন্তু হৈমন্তীর মা বারবার দাবি করেছেন তাঁর মেয়ে মারা গিয়েছেন। গোপাল দলপতির সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক তাঁরা কোনও দিনই মেনে নেয়নি। সেকারণেই তাঁদের কাছে মেয়ে মৃত।

হৈমন্তীর টলিউড যোগ
এদিকে এরই মধ্যে হৈমন্তীর সিনেমা করেছেন বলেও জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর সৌমিত্র মুখোমাধ্যায় অভিনীত জাল ছবিতে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকী এই ছবিতে তাঁর ঘনিষ্ঠের টাকাও ব্যবহার করা হয়েছিল। অর্থাৎ তদন্তকারীরা যে সন্দেহ করছেন নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা টালিগঞ্জে খাটানোর জন্য হৈমন্তীকে ব্যবহার করা হয়েছিল সেকথা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

মুম্বইয়ে নারিমন পয়েন্টে অফিস
মুম্বইয়ের হাইফাই জায়গা নারিমন পয়েন্টে অফিস রয়েছে হৈমন্তী অ্যাগ্রো ফাউন্ডেশনের। নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সেই অ্যাকাউন্টে যেত বলে দাবি করেেছন কুন্তল ঘোষ। গোপাল দলপতির নামে আরও ৫টি শেল কোম্পানির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এই কোম্পানিগুলির মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে অনুমান করা হচ্ছে গোপাল দলপতির ২৫ অকর জমির সন্ধানও পেয়েছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications