Sourav Ganguly: আরজি কর কাণ্ড দুর্ভাগ্যজনক, নারী নিরাপত্তা ইস্যুতেও মুখ খুললেন সৌরভ
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। হাসপাতালের মধ্যেই চার তলার সেমিনার হলে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার পরেই পুলিশ তদন্ত করে ধর্ষণে অভিযুক্ত এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে। তবে তার পরেও হাসপাতালে প্রতিবাদ বিক্ষোভ থামেনি। এই ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
রবিবার দুপুরে রাজারহাটের একটি শপিং মলে বেসরকারি সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সামনে আরজি কর ইস্যুতে মুখ খোলেন মহারাজ। সৌরভ বলেন, খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা, ন্যক্কারজনকও বটে। এমন অপরাধের কোনও ক্ষমা নেই।এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এই ঘটনায় প্রশাসনের অবিলম্বে পদক্ষেপ উচিত। আসলে এই ধরণের ঘটনা যে কোনও জায়গায় হতে পারে। দুর্ভাগ্যক্রমে ঘটনাটা ঘটল হাসপাতালে। সিসিটিভির ব্যবস্থা থাকা উচিৎ, একইসঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার থাকা উচিত।

এই ঘটনায় ফের একবার রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের চিকিৎসকের যদি নিরাপত্তা না থাকে তাহলে বাকি রাজ্যের বাকি মহিলাদের নিরাপত্তা কোথায়? যদিও একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র দেশ তথা রাজ্যের নারীদের নিরাপত্তাহীনতার কথা মানতে নারাজ সৌরভ। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনা দিয়ে সবকিছুকে বিচার করা উচিৎ নয় ভারত এবং বাংলা মহিলাদের জন্য নিরাপদ। তা সত্ত্বেও এরকম কোনও ঘটনা যেন না ঘটে তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা আরও বাড়াতে হবে।"
একইসঙ্গে সৌরভ বলেন, এটা একটা দুর্ঘটনা, যে পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তে ঘটছে। তবে এটাকে বন্ধ করতে হবে। খুব ভুল। মেয়েদের নিরাপত্তা পশ্চিমবঙ্গ শুধু নয় ভারতের সমস্ত জায়গায় আছে। খুব ভাল একটা দেশ। পশ্চিমবঙ্গও ভাল রাজ্য। একটা দুর্ঘটনা দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। কিন্তু কড়া পদক্ষেপ করতেই হবে।'
শুক্রবার আরজি কর হাসপাতাল থেকে এক মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। হাসপাতালের মধ্যেই তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় সারা দেশজুড়ে শুরু হয়ে প্রতিবাদ। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছে। তদন্তের দাবিতে কর্মবিরতি দেখিয়েছেন, তরুণী চিকিৎসকের সহপাঠীরাও। পিজিটি, হাউস স্টাফ, ইনটার্ন দের সাথে আজ থেকে নতুন করে ধর্মঘটে যোগ দিলেন রেসিডেন্সিয়াল ডাক্তাররা।
মৃত তরুণী চিকিৎসকের বাবা জানিয়েছেন যে সোমবার থেকে তাঁরাও আন্দোলনে অংশ নেবেন। পড়ুয়ারা যদি আন্দোলন না করতেন, তাহলে তাঁদের মেয়েকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হত। কখন ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications