আবিরকে ইলিশ ভাজা শেখালেন সৌরভ, মহারাজের পছন্দ কোন পদ?
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ইলিশ মাছ ভাজতে যে ওস্তাদ তার ফের প্রমাণ মিলল। ঠিক কখন গরম তেলে মাছ দিতে হবে, কীভাবে মাছটা খুন্তি দিয়ে চেপে ধরে রাখলে দুই দিক ভালো করে ভাজা যায়, তা হাতেকলমে সৌরভ শেখালেন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়কে। সৌরভের সঙ্গে আবির একটি ভোজ্য তেল প্রস্তুতকারক সংস্থার বাণিজ্যিক মুখ হলেন। আর সেই ঘোষণার মঞ্চেই চলল ইলিশ মাছ ভাজা। এই সংস্থার সঙ্গে প্রায় ৭ বছর যুক্ত সৌরভ। গত বছর একইভাবে ইলিশ ভাজতে দেখা গেল সৌরভকে। আবিরের কাছে অবশ্য এই অভিজ্ঞতা এবারেই প্রথম।
সৌরভ বলেন, যখন বর্ষা আসে, খুব বৃষ্টি পড়ে, যেটা হচ্ছে গত এক-দেড় মাস ধরে, কখনও ভালো লাগে, বা ভালো লাগে না। তবে জল-কাদার মধ্যেও ইলিশ কিন্তু মানুষের মন পাল্টে দেয়। তা সে রবিবার দুপুর হোক, বা সপ্তাহের যে কোনও দিন।

অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায় সৌরভের কাছে জানতে চান, তিনি রোগা হলেন কীভাবে? সৌরভ বলেন, আমি ভাত, রুটি, চিনি, পাউরুটি খাই না। সে কারণেই হয়তো। তখন আবির ইলিশের সঙ্গে যদি ভাত থাকে তবে কীভাবে তা কন্ট্রোল করা সম্ভব? সৌরভ সহমত পোষণ করে বলেন, কন্ট্রোল করা সম্ভব নয়, দরকারও নেই।
সৌরভ এখন মাংস খাওয়া ছেড়েছেন। তবে নানারকম মাছ খান। অবশ্যই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে ইলিশই। সৌরভের কথায়, ভাত, ইলিশের সঙ্গে বাঙালির চিরাচরিত সম্পর্ক। ছোটবেলায় মাকে বা বাড়ির কাউকে ইলিশ রান্না করতে দেখা, ইলিশ কড়ুই, ইলিশ ভাজা, ইলিশের ডিম- এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।
উঠে আসে বাংলাদেশের ইলিশের কথা। সৌরভ অবশ্য বাংলার আর বাংলাদেশের ইলিশের মধ্যে স্বাদে তেমন ফারাক পান না। সৌরভ বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে ঢাকা যাই। ওখানে অনেক বন্ধু আছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও সকলে বাঙালি। যখন ভারতীয় দল নিয়ে যেতাম বন্ধুরা বলতেন, দাদা হোটেলে সব ঘরে ইলিশ পাঠিয়ে দিই? আমি বলতাম, রান্না করবে কে? আমরা তো খেলতে যাচ্ছি। তবে বন্ধুর বাড়িতে ইলিশ খেয়েছি, প্রচুর তেল। ফলে দুই বাংলার ইলিশই ভালো যদি শরীরে সয়।
ভাজার চেয়েও সর্ষে ইলিশ বেশি পছন্দ মহারাজের। তিনি বলেন, ইলিশ মাছের কাঁটা বাছা সহজ নয়, এটা একটা আর্ট। তবে ২০ বছর ধরে আমার গলায়, দাঁতে, গালে ইলিশের কাঁটা বেঁধেনি। ফলে চোখ আর হাতের কাজ একেবারে ঠিকঠাক রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications