নিয়োগ দুর্নীতিতে বিস্ফোরক মোড়! চার্জশিটে জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম! কাকুর বক্তব্যে ১৫ কোটির 'হদিশ'
West Bengal Teacher Recruitment Scam: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়! অতিরিক্ত চার্জশিটে 'জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে'র নাম। গত কয়েকদিন আগেই প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একটি অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। 'কালীঘাটের কাকু' অর্থাৎ সুজয়কৃষ্ণর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে সম্প্রতি সেই চার্জশিট জমা পড়ে আদালতে।
আর সেখানেই 'জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে'র নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, রহস্যজনক এই ব্যক্তি কালীঘাটের কাকুর কাছ ১৫ কোটি টাকা চেয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই চার্জশিটে। তবে কে এই 'জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়' সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট বার্তা সিবিআই'য়ের তরফে দেওয়া হয়নি (Teacher Recruitment Scam) ।

তবে এই তথ্য সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজনৈতিকমহলে। ফলে কে এই ব্যক্তি তা নিয়ে বিশেষ করে শুরু হয়েছে আলোচনা। ইতিমধ্যে যদিও তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী একটি প্রেস বার্তা দিয়েছেন। যেখানে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে আইনজীবী সঞ্জয় বসু ওই বার্তায় আরও জানিয়েছেন, সিবিআই ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। মরিয়া হয়েই একেবারে সিবিআই অভিষেকের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ।
তবে কে এই জৈনিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সে বিষয়ে সিবিআই'য়ের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এমনকী চার্জশিটেও এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়নি। বলে রাখা প্রয়োজন, দীর্ঘ জলঘোলা-বিতর্কের পর কালীঘাটের কাকু'র কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা হয়। সম্প্রতি সেই রিপোর্ট হাতে আসে তদন্তকারী সংস্থার। সেটির উপর ভিত্তি করে অতিতিক্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। আর সেখানেই জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের উল্লেখ। একই সঙ্গে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথাও বলা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, ২০১৭ সালে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়িতে একটি বৈঠক হয়। যেখানে তৃণমূল নেতা শান্তুনু বন্দ্যোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ ছিলেন বলে খবর। আর সেই রেকর্ডিং কুন্তলের নির্দেশে এক কর্মী করেন বলে দাবি চার্জশিটে। সেটির ফরেন্সিক করা হচ্ছে। তবে জমা দেওয়া চার্জশিটে তদন্তকারীদের উল্লেখ, চাকরি দুর্নীতি নিয়ে জনৈক ওই অভিষেক এবং তৎকালীন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়েছে।
শুধু তাই নয়, রেকর্ডিংয়ে শোনা যাচ্ছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অর্থাৎ কালীঘাটের বলছেন, জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাথমিকে বেআইনি নিয়োগের জন্য ১৫ কোটি টাকা চেয়েছে। শুধু তাই নয়, অন্য জায়গাউ ট্রান্সফার করে দেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে। এখানেই শেষে নয়, ওই অডিও ক্লিপে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। এমনও বলা হয়েছে যে আরও দু'হাজার চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা তোলা হবে। যদিও এই বিষয়ে সন্দেহও প্রকাশ করা হয়েছে বলে সিবিআই'য়ের হাতে আসা অডিও ক্লিপে শোনা গিয়েছে বলে দাবি।












Click it and Unblock the Notifications