রাতের কলকাতাতে ফের চলল গুলি, গুরুতর ভাবে জখম এক মূক ও বধির প্রৌঢ়
রাতের কলকাতাতে ফের চলল গুলি। ঘটনায় গুরুতর ভাবে জখম এক মূক ও বধির প্রৌঢ়। তাঁর নাম রতন কুমার সাধু খাঁ বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার পরেই গুলিবিদ্ধ রতনবাবুকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই ব্যক
রাতের কলকাতাতে ফের চলল গুলি। ঘটনায় গুরুতর ভাবে জখম এক মূক ও বধির প্রৌঢ়। তাঁর নাম রতন কুমার সাধু খাঁ বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনার পরেই গুলিবিদ্ধ রতনবাবুকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তি। ঘটনার খবর পেয়েই রাতেই ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা।
কীভাবে এবং কেন গুলি চলল তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল বলে দাবি অভিযোগ স্থানীয় মানুষজনের। মধ্যরাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানার পটারি রোডে।
অন্যদিকে রাতেই আহত ব্যক্তির অস্ত্রপচার করা হলে এখন স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে।

তপন হালদারকে লক্ষ্য করেই চলে এই গুলি
জানা যাচ্ছে, স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী দীপক দাস বাইকে করে যাওয়ার সময় হঠাত করেই গুলি চালান বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের। শুধু তাই নয়, অপর এক তৃণমূল কর্মী তপন হালদারকে লক্ষ্য করেই চলে এই গুলি। এমনটাই দাবি এলাকার মানুষের। আর সেই সময়ে রাতের খাবার খেয়ে শুতে যাচ্ছিলেন রতন কুমার সাধু খাঁ। একেবারে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলি তাঁর শরীরে লাগে বলে জানা যায়। একেবারে রক্তাত্ব অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। জানা যায়, ওই ব্যক্তির পেটে গুলি লাগে। প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার খবর দেওয়া হয় স্থানীয় এন্টালি থানাতে। ঘটনার পরেই বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকাতে মোতায়েন করা হয়।

গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে এই ঘটনা
ঘটনার পরেই বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষজন। স্পষ্ট তাঁদের চোখে মুখে আতঙ্ক। তবে তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় দীপক দাস এবং তপন দুজনেই স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসাবেই পরিচিত বলে দাবি দাবি স্থানীয় মানুষজনের। শুধু তাই নয়, এলাকাতে দীর্ঘদিন ধরেই দুজনে ইমারতি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় মানুষজন। আর সেই ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই হয়তো গুলি বলে দাবি। যদিও এই বিষয়ে পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক
তবে রাতেই লালবাজারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা যান। কি কারণে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখছেন। রাতেই ঘটনাস্থলে যান ডিসি প্রিয়ব্রত রায়। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ৬৩ বছরের এক বৃদ্ধের গুলি লেগেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনায় শাসকদলের নাম জড়ানোতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। সেটি তাঁর প্রমাণ করে। প্রকাশ্যে গুলি চলছে। মানুষের নিরাপত্তা নেই বলেও দাবি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। অন্যদিকে বিষয়টি তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications