Sheikh Shahjahan: শেখ শাহজাহানের নিশানায় বিজেপি, হাসপাতালের বাইরে চোর স্লোগান
ষড়যন্ত্র করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে এমনই দাবি করেছিলেন শেখ শাহজাহান। এবার তিনি দাবি করেছেন বিজেপি মিথ্যে কথা বলছে তাঁর বিরুদ্ধে। আজ জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল সন্দেশখালির বাঘকে। সেখান থেকে বেরোনোর সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
শেখ শাহজাহান এদিন দাবি করেছেন বিজেপির দালালরা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে কথা বলছে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক পাচারকের অভিযোগ ছিল। যেটা একেবারেই মিথ্যে বলে দাবি করেছেন তিনি। কোনও রকম মাদক কারবারের সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে প্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন শেখ শাহজাহান।

এদিকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে শেখ শাহজাহানকে দেখে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভকারীরা তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন। তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন শেখ শাহজাহানকে নিরাপত্তা না দিয়ে বুথে নিরাপত্তা দেওয়া। একজন চোরকে নিরাপত্তা দিয়ে কি হবে। তার চেয়ে বুথে বুথে নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
গতকাল কোচবিহারের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সন্দেশখালিতে অপরাধীরা জেল থেকে ছাড়া পাবে না। সন্দেশখালির অপরাধীদের সারাজীবন জেলেই কাটাতে হবে। গতকাল কলকাতা হাইকোর্টও সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছে। কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে যদি সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের একটি ঘটনাও ঘটে থাকে তাহলে শাসক দল সেটার দায় এড়াতে পারেন না।
কয়েকদিন আগে শেখ শাহজাহানের ইডি হেফাজতে মুখ খুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ইডির উপরে কে বা কারা হামলা করেছিল তারা ঠিক করেনি। ইডির উপরে হামলার তীব্র নিন্দা করেছিলেন তিনি। তারপরেই তিনি দাবি করেছিলেন কারোর এক টুকরো জমি তিনি দখল করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে। এদিকে শাহজাহান শেখের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।
মাছের ভেড়ির কারবারের মধ্য দিয়ে কালো টাকা সাদা করার কারবার করতেন তিনি এমনই জানতে পেরেছিল ইডি। শেখ শাহজাহান ইডির উপরে হামলার দায় অস্বিকার করলেও সিবিআই তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, ঘটনার দিন নিজের বাড়ি থেকে ফোন করে ইডিকে আটকানোর জন্য জমায়েত হতে বলেছিলেন শেখ শাহজাহান। এমনকী তিনি ফোন করেছিলেন নিজের বাড়ি থেকেই।
ইডির উপরে হামলার পর ৫৫ দিন পলাতক ছিলেন তিনি। ৫৬ দিনের দিন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরে সিআইডি হেফাজতে ছিলেন শাহজাহান শেখ। সেখান থেকে সিবিআই তাঁকে হেফাজতে নেয়। কিন্তু একটা কথাও তাঁরা বলাতে পারেনি। তারপরে ইডি হেফাজতে মুখ খুলেছিলেন শাহজাহান শেখ। সেখানেই তিনি দাবি করেছেন সন্দেশখালিতে মানুষের উপকারেই কাজ করেছেন তিনি। কারোর এক টুকরো জমি তিনি দখল করেননি।












Click it and Unblock the Notifications