RG Kar Hospital: প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর রিপোর্ট চাই, আর জি কর কাণ্ড নিয়ে রাজ্যকে নির্দেশ কেন্দ্রের
আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। এবার কড়া বার্তা দিল কেন্দ্রও। প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে মোদী সরকার। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী রয়েছে তা নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যকে।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল গোটা রাজ্য। রাস্তায় নেমে প্রায় প্রতিদিন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন রাজ্যবাসী। ঘটনার প্রতিবারে রাত দখল অভিযানে নেমেছিলেন মহিলারা। সেদিন আরজি কর হাসপাতালে হামলা চালিয়েছিল ৬ থেকে ৭ হাজার দুষ্কৃতী। তারা রীতিমতো তাণ্ডব চালায় হাসপাতাল। জরুরি বিভাগ ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী ডেন্টাল বিভাগেও তাণ্ডব চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার ভয়ঙ্কর অবনতির অভিযোগ তুলে বিজেপির পক্ষ থেকে আরজির অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শ্যামবাজারেই আটকে দেওয়া হয় তাঁদের। এবং জোর করে বিজেপির নেতা বিধায়কদের সেখান থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। একের পর এক ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোটাকেই বিজেপি এবং বামেদের চক্রান্ত বলে অভিযোগ করেছেন। তিনিও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
গোটা দেশেই চিকিৎসক মহলে আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার প্রভাব ফেলেছে। গতকাল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ২৪ ঘ্ণ্টার কর্মবিরতীর ডাক দেওয়া হয়েছিল। তার জেরে গোটা দেশের সব সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের ওপিডি বন্ধ ছিল। তবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা পরিষেবা জারি ছিল বলে জানা গিয়েছে।
রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তৎপর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হোয়াটস অ্যাপে রিরোর্ট দিতে হবে বলে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশিকা কেবল রাজ্যকেই নয় দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিকেও দওয়া হয়েছে। ফ্যাক্সে বা হোয়াটস অ্যাপে এই তথ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে পাঠাতে হবে।
আরজি কর হাসপাতাল কীভাবে মহিলা চিকিৎসককে একেবারে হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে খুন এবং ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সকলে। চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্ কর্মী সকলেই এই নিয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তা কেন থাকবে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications