দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে আঘাতের চিহ্ন, সত্যিই কি খুন হয়েছিলেন IIT-র ছাত্র ফইজান
খড়গপুর আইআইটি-র ছাত্র ফইজান আহমেদের দেহের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও উঠে এল আঘাতের চিহ্ন। মৃত্যুর আগে যে আঘাত করা হয়েছিল, তাতে খুনের অভিযোগ সামনে আসছে বলেই সূত্রের খবর।
গত বছরের অক্টোবর মাসে মৃত্যু হয় ওই ছাত্রের। আত্মহত্যা বলেই দাবি করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। এরপরই ছাত্রের পরিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়। আত্মহত্যা নয়, বরং ফইজান আহমেদকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করে পরিবার। এমনকি এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টেও অভিযোগ জানায় পরিবার।

বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। আর তাতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। এমনকি রিপোর্ট প্রভাবিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন বিচারপতি মান্থা। বিশেষ মাথায় আঘাত থাকা সত্ত্বেও যেভাবে বিষয়টি রিপোর্টে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।
আর এরপরেই দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আর এরপরেই ফইজান আহমেদের দেহ কবর থেকে তোলা হয়। অসমের ডিব্রুগড়ের কবরস্থান থেকে সেই দেহ তোলা হয় গত মাসে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সেই ময়নাতদন্ত হয়।
যেখানে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মনোনীত বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে হয় সেই ময়নাতদন্ত। আর সেই রিপোর্টেই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। ফলে আত্মহত্যা নয়, খুনের দিকেই বিষয়টি ঘুরে যাচ্ছে। এই অবস্থায় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে খড়গপুর আইআইটি।
বলে রাখা প্রয়োজন, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ অজয় গুপ্তার কমিটিও খুনের দিকেই ইঙ্গিত করে রিপোর্ট দিয়েছিল আদালতে। উল্লেখ্য, গত বছর অক্টোবর মাসে ফইজান আহমেদের দেহ উদ্ধার হয় হোস্টেলের ঘর থেকেই। আর এরপর থেকেই যাবতীয় বিতর্ক।












Click it and Unblock the Notifications