'কতক্ষণ আর পুজো চালাতে পারব জানি না', সজল ঘোষের ফেসবুক পোস্ট! কী হল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে?
বিজেপি নেতা সজল ঘোষের আশঙ্কা, 'পুলিশি জুলুম' এতটাই বেড়েছে যে তিনি পুজো চালিয়ে যেতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির পুজোর উদ্বোধন করেন। চতুর্থীর সন্ধ্যায় জনসমুদ্র দেখেও উদ্যোক্তা সজল ঘোষের মনে সংশয়, তিনি আদৌও পুজো শেষ করতে পারবেন কিনা।
কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর সজল ঘোষের এই পুজো ঘিরে মানুষের উৎসাহ তুঙ্গে। এ বছরের থিম 'অপারেশন সিঁদুর' ঘোষণার পর থেকেই মুচিপাড়া থানা থেকে একের পর এক চিঠি পেতে শুরু করেছে পুজো কমিটি। সজল ঘোষের দাবি, পুলিশ ইচ্ছে করে মণ্ডপের কাছাকাছি ব্যারিকেড দিচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজে পৌঁছতে না পারেন।

তিনি বলেন, "পুলিশি জুলুমের মুখে কতক্ষণ পুজো চালাতে পারব জানি না। আরও কিছু পুলিশি নোটিস পাওয়ার অপেক্ষায় আছি, পাশে থাকুন।" সজল ঘোষ পুলিশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেও, পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন।
পুলিশের দাবি, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্ঘটনা এড়ানোর উদ্দেশ্যেই ব্যারিকেড দেওয়া হচ্ছে; এর পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই। মুচিপাড়া থানা চলতি বছরে ১৪ মে, ১২ জুন, ১৫ জুলাই এবং ৯ সেপ্টেম্বর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতিকে একাধিক নির্দেশিকা পাঠিয়েছে।
এই নির্দেশিকাগুলির মধ্যে রয়েছে, মণ্ডপে ঢোকা ও বেরোনোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখা, মণ্ডপের গেটের কাছে বা পার্কের পূর্ব প্রান্তে কোনো হকার বা স্টল বসতে না দেওয়া। এছাড়াও, মণ্ডপের ভিতরে বা আশেপাশে কোনও লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো না করা, এবং কমপক্ষে ৬০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো।
নির্দেশে রয়েছে, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মোড় থেকে ঢোকার গেট পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞাপনের গেট বা কাঠামো রাখা যাবে না। নাগরদোলা বা কোনও জয় রাইড বসানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আড়াইশো জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করার কথাও বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications