ইসলামপুরে গুলি-কাণ্ডে আরএসএস-যোগের প্রমাণ দিন, পাল্টা চ্যালেঞ্জ পার্থকে
উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিজেপি আর আরএসএসকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। এবার এই ঘটনায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ল আরএসএস।
উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিজেপি আর আরএসএসকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। এবার এই ঘটনায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ল আরএসএস। আরএসএসের দাবি, পার্থবাবু প্রমাণ দিন যে, ইসলামপুর-কাণ্ডে আরএসএসের ভূমিকা ছিল। তা না হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে পার্থবাবুকে।

আরএসএসের দাবি, পার্থবাবু যদি নিঃশর্ত ক্ষমা না চান, তাহলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। এবং বৃহত্তর জন আন্দোলনে নামব। আরএসএস নেতৃত্বের দাবি, শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় না জেনে আরএসএসের মতো এত বড় একটা সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। আরএসএস যে এই ঘটনার মধ্যে রয়েছে, তার প্রমাণ তাঁকেই দিতে হবে।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, ইসলামপুরের ঘটনা বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। এর পিছনে বিজেপি ও আরএসএসের হাত রয়েছে। ইসলামপুর-কাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে। যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশও যদি দায়ী হয়, তাহলেও ছেড়ে কথা বলবে না সরকার। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না।
উল্লেখ্য, ইসলামপুর স্কুলে দরকার বাংলা শিক্ষক। নিয়োগ করা হয়েছিল উর্দু শিক্ষক। তা নিয়েই উত্তেজনা ছড়ায়। শুরু হয় তীব্র ছাত্র আন্দোলন। তারই জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। গুলি চলে। সেই গুলিতে দুই ছাত্রের মৃত্যুও ঘটে। এখন কে গুলি চালাল, তা নিয়ে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি গ্রামে। বিজেপি দাবি করে, এই ঘটনা জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডকে মনে করিয়ে দেয়।
শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সেই পরিপ্রেক্ষিতেই তোপ দাগেন। কাঠগড়ায় তোলেন বিজেপি ও আরএসএসকে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি জেলা শাসকের সঙ্গে। স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি কথা বলেছেন। তারপর ডিআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও গ্রামবাসী সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড়।












Click it and Unblock the Notifications