Central Avenue: পরিচারিকা দরজা খুলতেই সটান দোতলায় গিয়ে ডাকাতি! সি আর অ্যাভিনিউকাণ্ডে সরষের মধ্যেই ভূত?
Central Avenue: খাস কলকাতায় দুঃসাহসিক ডাকাতি (Dacoity)। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর বিডন স্ট্রিট ক্রসিংয়ে অভিজাত একটি পুরোনো বাড়িতে লুঠ চালাল দুষ্কৃতী (Miscreant)। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে ১৫ হাজার নগদ টাকা নিয়ে পালাল আততায়ী। লুট করা হয়েছে সোনার গয়নাও। ফের একবার পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠেছে।
একেবারে সি আর অ্যাভিনিউয়ের মেন রোডের পাশেই ওই বাড়িতে একাকী বৃদ্ধা থাকেন। ৬৬ বছর বয়সী ওই প্রৌঢ়ার নাম মধুমিতা মিত্র। এক মহিলা তাকে দেখাশোনা করেন। ওই মহিলা পরিচারিকাই প্রৌঢ়ার জন্য রান্না-সহ যাবতীয় কাজ করেন। রয়েছেন একজন পুরুষ কেয়ারটেকারও। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার পর ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।

একেবারে দোতলায় সটান উঠে গিয়ে লুঠ চালায় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু এত বড় বাড়িতে কীভাবে দোতলায় উঠে গেল সে? পরিচারিকা সন্ধ্যা দাস জানান, হার্টের পেশেন্ট তিনি। ঘুমের ওষুধ খেয়ে শুয়েছিলেন। ফোন করে পুরুষ কেয়ারটেকার জল খাওয়ার জন্য গেট খুলতে বলেন।
প্রথমে মানা করলেও পরে রিমোট দিয়ে উপর দিয়েই গেট খুলে দেন মহিলা পরিচারিকা। দোতলা দিয়েই রিমোটে গেট খুলে নিজের ঘরে খিল দিয়ে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়েন তিনি। এরপরই ঘটে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা। আততায়ীও ওই সময় উঠে গিয়ে দোতলায় লুঠ চালায়।
মহিলা পরিচারিকা আরও জানান তিনি ৩৫ বছর ধরে কাজ করেন ওই বাড়িতে। পুরুষ কেয়ারটেকার ২৫ বছর ধরে কাজ করেন। কিন্তু ওই রাতেই কেন জল খেতে উঠতে চাইলেন কেয়ারটেকার? আর পরিচারিকাই বা দরজা খুলে দিয়ে চলে গেলেন কেন? সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
সরষের মধ্যেই কি তবে ভূত? কেয়ারটেকার ও পরিচারিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখছে পুলিশ। তাঁরাও রয়েছেন পুলিশের স্ক্যানারে। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখা ও বড়তলা থানার পুলিশ। এলাকায় প্রচুর সিসিটিভি রয়েছে। তা পরীক্ষা করে দেখছে পুলিশ। বাড়িতেও পুলিশে ছয়লাপ। তবে শহরে একাকী বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন তুলছেন নাগরিকরা।












Click it and Unblock the Notifications