RG Kar Hospital: আমার মতো ঘুমহারা হোক অপরাধীরাও, বলছেন অভয়ার মা, বিস্ফোরক অভিযোগ বাবা-কাকার
RG Kar Hospital Doctor Death: অপরাধীরাও আমরা মতো ঘুমহারা হোক। যতদিন না বিচার পাচ্ছি, আন্দোলন জারি রাখার বার্তা 'অভয়া'র মা'য়ের। একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল পরিবার। ঘটনার প্রায় একমাস কাটতে চলল। এখনও বিচার অধরা।
এই অবস্থায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হলেও তা হচ্ছে না। এই অবস্থায় আন্দোলন আরও তীব্র হচ্ছে। গর্জে উঠছেন সাধারণ মানুষ। গোটা বাংলায় রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। মোমবাতি জ্বালিয়ে আরজি কর হাসপাতালে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন জুনিয়ার ডাক্তাররাও (RG Kar Hospital Doctor Death) ।

আর সেই প্রতিবাদে এদিন সামিল হল 'অভয়া'র বাবা-মা' সহ গোটা পরিবার। আর সেখানেই পুলিশের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তাঁরা। অভয়ার মা বলেন, এখনও বিচার পায়নি, আন্দোলন তীব্র হোক। অপরাধীরাও আমরা মতো ঘুমহারা হোক, মন্তব্য মায়ে'র।
কার্যত একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন নির্যাতিতার। বলেন, হাসপাতাল থেকে বলে দেওয়া হল মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কোনও মেডিক্যাল টেস্ট করা হল না। সাড়ে তিন ঘণ্টা মেয়ের মুখ দেখার জন্য সেমিনার হলের সামনে অপেক্ষা করতে হয়েছে। দীর্ঘ সময়ে একাধিকবার সবার কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। পুলিশের হাতে-পায়ে ধরেছে ওর মা। কিন্তু কেউ কথা শোনেনি।
কিন্তু কেন এমন অবস্থা? এমনকি পুলিশ এবং হাসপাতালও এফআইআর করেনি। আমার এফআইআর রেজিস্টার হল সাড়ে ১১ টায়। কিন্তু কেন? প্রশ্ন অভয়ার বাবা'র। অভয়ার দেহ রেখে দিতে চেয়েছিলেন বলেও জানান নির্যাতিতার বাবা। কিন্তু কয়েকশ পুলিশ তাদের ঘিরে রেখেছিল। চাপ পড়ে দেহ দাহ করতে বাধ্য হই।
শুধু তাই নয়, এদিন আরও বিস্ফোরক দাবি করেন অভয়ার বাবা। বলেন, শ্মশানের টাকাও নেওয়া হল না আমার থেকে। সেই টাকা কে দিল? জানতেই পারলাম না। কার কাছে উত্তর চাইব? প্রশ্ন বাবার। এমনকি বারবার পুলিশ প্রেস কনফারেন্স করে মিথ্যা কথা বলছে বলেও দাবি তাঁর।
এদিন অভয়া'র কাকা-কাকিমাও ক্ষোভ উগরে দেন। কাকা বলেন, একটা সাদা কাগজে দাদাকে দিয়ে সই করানোর চেষ্টা হয়েছিল। আমি তা দেখতে পেয়ে ছিঁড়ে ফেলেদি। কেন সই করানো হচ্ছিল? প্রশ্ন কাকার। বিস্ফোরক অভিযোগ করে কাকিমাও।
বলেন, দেহ দাহ করতে অতি সক্রিয় ছিল পুলিশ। আমাকে ধাক্কা মেরে পুলিশ বডি নিয়ে চলে যায়। এমনকি মেয়ের দেহ দাহ করার আগে পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। এমনকি বাড়ির সামনে এক থেকে দেড় ঘণ্টা দেহ ছিল বলেও এদিন বলেন কাকিমা।












Click it and Unblock the Notifications