RG Kar Medical: সিজিও-তে গেলেন, কিন্তু ঢুকলেন না, রাতে আরজি করের অধ্যক্ষকে নিয়ে চরম নাটক!
RG Kar Medical College & Hospital: স্বাধীনতা দিবসের রাতে আরজি কর হাসপাতালে ঢুকে অবাধ তাণ্ডব! কার্যত ৪০ মিনিট ধরে চলল ভাঙচুর। আর তাতে একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে জরুরি বিভাগ সহ হাসপাতালের একাধিক বিভাগ। যদিও যে জায়গাউ ঘটনা ঘটে, সেখানে হামলাকারীরা পৌঁছতে পারেনি বলেই দাবি।
আর সেই জায়গার পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখল সিবিআই। সঙ্গে ছিলেন দিল্লি থেকে আসা ফরেন্সিক এবং চিকিৎসকদের স্পেশাল টিম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে পৌছন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনাস্থল সহ হাসপাতালের (RG Kar Medical College & Hospital)

বিভিন্ন অংশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন ফরেন্সিক এক্সপার্টরা। এমনকি গোটা এলাকার ভিডিওগ্রাফিও করা হয় বলে জানা যাচ্ছে। আর এরপরেই আরজি কর হাসপাতালের বর্তমান অধ্যক্ষ সুহৃতা পালের ঘরে যান তদন্তকারী আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ তাঁকে জেরা করা হয়। শুধু তাই নয়, এরপর সাড়ে ১০ টা নাগাদ সুহৃতা পালকে নিয়ে বের হন সিবিআই আধিকারিকরা। তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে সোজা নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জেরা করতেই কী আরজি কর হাসপাতালের নব নিযুক্ত সুহৃতা পালকে নিয়ে যাওয়া হয়? জোর জল্পনা শুরু হয়। যদিও কিছুক্ষণ পরে সিবিআই'য়ের সদর দফতর ছাড়েন সুহৃতা পাল।
বলে রাখা প্রয়োজন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঘেরাও অবস্থায় ছিলেন। একাধিক দাবিতে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা এই ঘেরাওই কর্মসূচি নিয়েছিলেন। অন্যদিকে বুধবার রাতে আরজি কর হাসপাতালে যে তান্ডব বলেছে সেই ঘটনায়, তিনটি পৃথক এফআইআর দায়ের করল কলকাতা পুলিশ। টালা থানা, শ্যামপুকুর থানা এবং উল্টোডাঙ্গা থানায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অস্ত্র সহ একাধিক ধারায় এই মামলা রুজু করা হয়েছে।
আর সেই অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। একেবারে ছবি দেখে অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে, কিন্তু আরজি কর হাসপাতালের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। কিন্তু কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications