RG Kar Incident: লালবাজারের কাছে সুকান্তদের আটকাতে লাঠিচার্জ পুলিশের, রাষ্ট্রপতি শাসন চাইছেন শুভেন্দু
RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের ডাকা কর্মসূচি থেকে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের মুক্তির দাবি লালবাজার অভিযানে যাচ্ছিল বিজেপি।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি ডা. সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বিজেপির মিছিলকে আটকে দেওয়া হয় লালবাজারের কাছেই। তারপরই তৈরি হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি।

বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট ও বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের সংযোগস্থলে পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি নেতৃত্ব পথে বসেই প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। এরই মধ্যে বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল।
এর জেরে সুকান্ত মজুমদার অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ গুরুতর আহত হন। তাঁকে ভর্তি করানো হয় বিশুদ্ধানন্দ হাসপাতালে। আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন।
এরই মধ্যে সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, কাল রাজ্যজুড়ে সর্বাত্মক বনধ হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সিটি অব জয় কলকাতাকে এখন সিটি অব ভয়ে পরিণত করেছে বলে দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজকে স্যালুট। তারা আজ কোনও রাজনৈতিক দলের পতাকা ছাড়াই জাতীয় পতাকা হাতে পথে নেমে নবান্নকে তিন ঘণ্টা ধরে নাড়িয়ে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পদত্যাগ করা উচিত।
শুভেন্দু বলেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরাতে অবিলম্বে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার প্রয়োজনীয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজ ছাত্র, যুব, প্রতিবাদী সচেতন নাগরিকদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়েছে। জলকামান, বজ্র ব্যবহার করা হয়েছে। টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটানো হয়েছে, রাবার বুলেট ছোড়া হয়েছে।
এর প্রতিবাদে আরজি কর কাণ্ডে ন্যায়বিচারের দাবিতে কালকের বনধ সফল করার ডাক দেন শুভেন্দু। কাল কংগ্রেস ও তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী রয়েছে। জেলা থেকে যাঁরা গাড়ি করে আসবেন তাঁদের বাধা না দিতে পরামর্শ দিয়েছেন শুভেন্দু। দলীয় কর্মীদের কোনও প্ররোচনায় পা না দিতেও আহ্বান করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।












Click it and Unblock the Notifications