আরজি কর কাণ্ডে পথে বামেরা, খান্নায় পুলিশের সঙ্গে ধুন্ধুমার
২২ ঘণ্টা ধরে আন্দোলন করে নৈতিক জয় পেয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। লালবাজারে ২২ জনের প্রতিনিধি দল পৌঁছেছে। বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট জুনিয়র চিকিৎসকদের দখলে। ঠিক তখন উত্তর ও মধ্য কলকাতার এপিসি রোড বামেদের দখলে। আরজি কর কাণ্ডে আজ মঙ্গলবার পথে নেমেছে বামেরা।
বামেদের এই মিছিল রাজাবাজার থেকে শুরু হয়েছিল। খান্না অবধি পৌঁছতেই পুলিশ সেই মিছিল আটকে দেয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় খান্না এলাকায়। পুলিশ ব্যারিকেড করেছিল। বামেরা এই ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চায়। পুলিশের সঙ্গে বামেদের ধস্তাধস্তি হয়। মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে পথে নেমেছে। এমনই বক্তব্য বিমান বসুর।

এদিন দুপুরে রাজাবাজার থেকে এই মিছিল শুরু হয়। বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, রবিন দেব সহ প্রথম সারির বাম নেতারা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন। সিপিএম সহ অন্যান্য শরিক দল এই মিছিলে পা মেলায়। দীর্ঘ রাস্তা জুড়ে কয়েক হাজার বাম কর্মী সমর্থক। আরজি করের ঘটনার বিচার চাওয়া হয়। বামেদের মিছিল থেকেও স্লোগান আন্দোলিত হয়, ' জাস্টিস ফর আরজি কর'।
বামেদের এই মিছিল পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি। সেই মতো দুপুর থেকে রাজাবাজার এলাকায় বামেরা জমায়েত শুরু করে। নির্দিষ্ট সময় মিছিল শুরু হয়। মিছিলের নেতৃত্বে বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা ছিলেন। হাজারের বেশি কর্মী সমর্থক এদিন এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি, নির্যাতিতা যাতে বিচার পান। সেই দাবি মিছিল থেকে উঠতে শুরু করে।
ওই এলাকার আশেপাশের বাড়ি থেকেও একই ভাবে প্রতিবাদের সুর উঠতে থাকে। দোতলা, তিন তলার বারান্দা থেকে মহিলারা ' জাস্টিস ফর আরজি কর' স্লোগানে গলা মেলান। যদিও এই মিছিল বেশি দূর এগোতে পারেনি। শ্যামবাজার পর্যন্ত এই মিছিল করার কথা ছিল বামেদের। খান্নার আগেই এই মিছিল আটকে দেওয়া হয়। গার্ডরেল দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড করে রাখা হয়েছিল।
যদিও সেখানে পুলিশের সংখ্যা যথেষ্ট কম ছিল। বামেদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। তারা শ্যামবাজার অবধি মিছিল করে যাবেন। এই কথা জোর গলায় দাবি করেন বিমান বসু। শ্যামবাজার এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। লাঠি, টিয়ার গ্যাস, ঢাল নিয়ে বিপুল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন শ্যামবাজারে। প্রচুর সংখ্যায় মহিলা পুলিশও উপস্থিত ছিল।












Click it and Unblock the Notifications