RG Kar Incident: আরজি কর হাসপাতালে হামলা নিয়ে সরব অভিষেক-সুকান্ত, কলকাতা পুলিশকে সময়সীমা
RG Kar Incident: আরজি কর হাসপাতালে প্রতিবাদরত চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান।
আজ মধ্যরাতের পর আরজি কর হাসপাতালে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। র্যাফ নামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের হামলায় কয়েকজন পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।

ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছেন কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়েল। আচমকাই বহিরাগতরা আরজি কর হাসপাতালের ভিতর ঢুকে প্রতিবাদীদের ধরনা মঞ্চ ভেঙে দেয়। জরুরি বিভাগে ঢুকেও ভাঙচুর চালানো হয়। রেহাই পায়নি সংবাদমাধ্যম।
পুলিশের ব্যারিকেড, কিয়স্ক, ভাঙচুর করা হয়। একটা সময় প্রাণভয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হয় পুলিশকর্মীদের। আরজি কর হাসপাতালের সামনে রাস্তার দুই দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। ঘটনায় লেগেছে রাজনৈতিক রং।
তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য লেখেন, "আন্দোলনকে হিংসাত্মক রূপ দিতে সিপিএম-বিজেপির গুন্ডারা আরজিকর হাসপাতালে ভাঙচুর চালালেন.. এই উস্কানি কি ইচ্ছা করেই দেওয়া হল যেন পুলিশ লাঠি চালাতে বাধ্য হয় আর সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করা যায়?"
মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের ফেসবুক পোস্টে বুধবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকেই হামলা বলে দাবি করেন দেবাংশু। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিবাদী চিকিৎসকদের পাশে থাকার বার্তাই দেন।
The hooliganism and vandalism at RG Kar tonight have exceeded all acceptable limits. As a public representative, I just spoke with @CPKolkata , urging him to ensure that every individual responsible for today’s violence is identified, held accountable, and made to face the law…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 14, 2024
অভিষেক এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, আরজি কর হাসপাতালে যে ধরনের গুণ্ডামি ও ভাঙচুর চলল তা সব সীমা অতিক্রম করেছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি কথা বলেছি নগরপাল বিনীত গোয়েলের সঙ্গে। তাঁকে অনুরোধ করেছি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দোষীদের চিহ্নিত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার।
কোনও রাজনৈতিক রং না দেখে পুলিশকে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান অভিষেক। সেই সঙ্গে তিনি লিখেছেন, যে দাবিতে চিকিৎসকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তা ন্যায়সঙ্গত। সরকারের থেকে তাঁরা ন্যূনতম প্রত্যাশা করতেই পারেন। তাঁদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি ড. সুকান্ত মজুমদার ফেসবুকে লেখেন, "রাতের অন্ধকারে হাসপাতালে ঢুকে বহিরাগতদের তাণ্ডব লীলা দেখুন। শিউরে উঠবেন। ১) এরা কারা? ২) চিকিৎসক পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান মঞ্চে কিভাবে প্রবেশ করতে পারলো? ৩) রাতদিন আর জি কর মেডিকেল কলেজের মূল প্রবেশদ্বারের সামনে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পুলিশ কেন ব্যবস্থা নিল না? ৪) প্রশাসনের সামনে এই তান্ডবলীলা চললেও প্রশাসন নিশ্চুপ কেন?
৫) তথ্য প্রমাণ লোপাট করেও শান্তি নেই? নিরীহ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর এই অকথ্য নির্যাতন আবার কেন সংঘটিত হলো? এর জবাব পুলিশ মন্ত্রীকে দিতে হবে। কিসের এত ভয় মাননীয়ার!এ কোন বিভীষিকাময় রাজ্যে বাস করছি আমরা? সাধারন মানুষের নিরাপত্তা না নিশ্চিত করতে পারলে এই মুহূর্তে পদত্যাগ করুন মুখ্যমন্ত্রী।"












Click it and Unblock the Notifications