RG Kar Hospital: রাত বাড়লেই নিভিয়ে দেওয়া হচ্ছে আলো, দুই নিরাপত্তা রক্ষীকে সাসপেন্ড করল কর্তৃপক্ষ
আর জি কর হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনার পরে নিরাত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। হাসপাতালের সেই ঘটনায় প্রকাশ্যে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গিয়েছে রাতের অন্ধকার গাঢ় হলেই একের পর এক রাস্তায় আলো নিভে যাচ্ছে।
দুষ্কতিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে আরজিক হাসপাতালের একাংশ। হাসপাতালের চিকিৎসক পড়ুয়াদের একের পর এক অভিযোগ পুলিশ কর্মীদেরও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের ২ রক্ষীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ঘটনার দিন তারা কোথায় ছিল সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে।

চিকিৎসক পড়ুয়ারা অভিযোগ করেছেন বড় বড় আলো হাসপাতালে থাকলেও সেগুলি জ্বলে না। রাত বাড়লেই সেগুলি নিভে যায়। কেন এই ঘটনা ঘটছে তা জানেন না তাঁরা। তবে অন্ধকারের মধ্যে দিয়েই তাদের হাসপাতালে যেতে হয় আবার হাসপাতাল থেকে হোস্টেলে ফিরতে হয়। এমনকী কোনও পুলিশি প্রহরাও থাকে না হাসপাতাল চত্বরে অভিযোগ করেছেন ডাক্তারি পড়ুয়ারা।
কয়েকবছর আগেও আরজির হাসপাতালের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল হাসপাতাল চত্ত্বর। তাঁর অপসারণ দাবি করেছিল পড়ুয়ারা। তারপরে আবার তাঁকেই বহাল করা হয় সেই পদে। তারপরে আবার সেমিনার হলে ডাক্তার তরুণীর মৃত্যুর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তাতে আরও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে কাকে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন হাসপাতালের প্রিন্সিপাল।
কয়েকবছর আগেও আরজির হাসপাতালের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল হাসপাতাল চত্ত্বর। তাঁর অপসারণ দাবি করেছিল পড়ুয়ারা। তারপরে আবার তাঁকেই বহাল করা হয় সেই পদে। তারপরে আবার সেমিনার হলে ডাক্তার তরুণীর মৃত্যুর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তাতে আরও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে কাকে আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন হাসপাতালের প্রিন্সিপাল।
তরুণী ডাক্তারের সঙ্গে এই নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা ঘটার পর টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের। পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ক্যাম্প বসানো হয়েছে। বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এই নিরপত্তা আগে কেন নেওয়া হল না। একজন সহপাঠী চিকিৎসকের সঙ্গে নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা ঘটার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হল।
কেন সেমিনার হলে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। ঘটনার সময় কীভাবে কোনওরকম বাধা ছাড়াই অভিযুক্ত সেমিনার হলে ঢুকে পড়ল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন ঘটনার দিন মদ্যপান করে পর্নোগ্রাফি ভিডিও মোবাইলে দেখেছিল সঞ্জয় রায়। তারপরে গলা টিপে খুন করে একাধিকবার ডাক্তারী তরুণীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। এবং মৃত্যু নিশ্চিত করে সেখান থেকে বেরিয়ে আবার হাসপাতালে পিছনে গিয়ে মদ্যপান করে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়।












Click it and Unblock the Notifications