RG Kar Hospital: অনশন নয় পুজো নিয়ে বেশি চিন্তিত সরকার, স্বাস্থ্যভবনের বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক জুনিয়র ডাক্তাররা
মিলল না কোনও সমাধান সূত্র। স্বাস্থ্যভবন থেকে বেরিয়ে কার্যত রুষ্ট এবং ক্ষুব্ধ হয়েই অনশন মঞ্চে ফিরে গেলেন জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধিরা। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে গতকাল রাতে স্বাস্থ্য ভবনে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন আরজি কর হাসপাতালের আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধিরা।
প্রায় রাত ১টা পর্যন্ত চলে বৈঠক। স্বাস্থ্যভবনের বৈঠক থেকে বেরিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা।
তাঁরা বলেছেন, পুজো নিয়ে বেশি চিন্তিত সরকার। অনশনকারী ডাক্তারদের নিয়ে চিন্তা নেই তাঁদের। পুজোয় ইমেজ রক্ষা করাই সরকারের কাছে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা বেরিয়ে এসে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযোগ করেন, আমরা আলোচনা করতে এসেছিলাম। আমাদের আগের মেইলের উত্তর পাওয়া যায় নি। তারা বলছেন মিস কমিউনিকেশন হয়েছিল। সেন্ট্রাল রেফারেল সিস্টেম হয়ে গেছে তারা বলেছেন। বাকি কাজে সময় লাগবে বলছেন। বিশেষ করে নিয়োগ।
মৌখিক কথা বলেছেন। গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুরক্ষিত করা হোক। কিন্তু আমাদের একটা টাইমলাইন দেওয়া হোক। ওনার অ্যাসেসমেন্ট করবেন। এই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তারা করবেন বলছেন। ওনারা বলছেন পুজো কেটে যাক। আমাদের অনশনকারীদের তুলতে বলছেন। আমরা বলেছি, আপনারা আসুন। তারা নাকি কিছুই জানতেন না। মুখ্য সচিব আগের দিন যা বলেছেন তাই আজ বলেছেন। কি করে আমরা অনশন তুলব? আমরা তো কোনও আশ্বাস পেলাম না।* খালি বলছেন পুজোর পরে। ওনাদের সদিচ্ছার অভাব। উৎসবে ফিরুন। কিন্তু কালিমালিপ্ত কেন করা হচ্ছে? মিস কমিউনিকেশন কি করে হয়? আজ কেন ডাকা হল তাহলে ১০০ ঘন্টা পরে। আমরা রাজনীতি করতে আসিনি।
অন্যদিকে মুখ্যসচিব দাবি করেঠছেন মিটিং ইতিবাচক হয়েছে। বিস্তারিত কথা বলেছি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যা যা কাজ এগিয়েছে তা বলেছি। সেন্ট্রাল রেফারেল সিস্টেম নিয়ে কথা বলেছি। ১৫ অক্টোবর পাইলট প্রজেক্ট নিয়ে বলেছি। ওরা ইনপুট দিয়েছে। পয়লা নভেম্বর থেকে চালু করার পরিকল্পনা।
প্রায় ১৫০০ নিরাপত্তা রক্ষী নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন করে ট্রেনিং হচ্ছে সাত দিনের। দ্রুত নিয়োগ চাওয়া হচ্ছে। ওরা ছাত্র সংসদ ভোট চাইছে। ওরা এর সময়সীমা চাইছে। আমরা বলেছি। কথা বলে এটা জানানো হবে। আমরা অনুরোধ করেছি। কারণ কাজ এগোচ্ছে। সেফ ও সিকিউর এনভায়রনমেন্ট নিয়ে এগোতে হবে।
তিনি বলেছেন, আমরা অনশন তুলতে বলেছি। ওরা এক্ষুনি ডেটলাইন চাইছে। আশা করি ওরা বুঝেছে। ইতিবাচক গঠনমূলক হিসাবে দেখবেন। আমরা বলেছি একদিনে সব হবে না। প্রয়োজনে আবার বসব। সেটা তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহে। প্রয়োজনে কথা হবে আবার। আর মিটিং তো বসেছি সেখানে তো আলোচনাই হয়। একটা মিটিং নিয়ে বিশ্বাস রাখতে হবে তো। আমরা অনশন তোলার কথা বলেছি। যেহেতু আলোচনার স্তরে চলছে। ওরা পজিটিভ ভাবে নিক। মিস কমিউনিকেশন ওরা বলেছে আমি দেখব নিশ্চয়ই এটা।* ওরা ইয়ংস্টারস আছে। আমরা রেসপন্স করেছি যেটা আমাদের করা সম্ভব। আমরা আলোচনা করেছি তো। আমরা এক ধাপ এগিয়েছি












Click it and Unblock the Notifications