RG Kar Hospital: তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা থেকে নিরাপত্তায় বিপুল গলদ, রিপোর্ট দিল জাতীয় মহিলা কমিশন
আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় রিপোর্ট প্রকাশ করল জাতীয় মহিলা কমিশন। ঘটনার পরের দিনই তাঁরা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছিলেন। পরিদর্শনের পরেই তাঁরা জানিয়েছিলেন নিরাপত্তায় বিপুল গলদ রয়েছে।
রিপোর্টেও সেটাই উল্লেখ করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক এবং কর্মীদের নিরাপত্তার তেমন কোনও বন্দোবস্তই নেই। এমনকী হাসপাতালে ঘটনার পর প্রমাণ লোপাটেরও চেষ্টা করা হয়েছিল। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নামও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।

আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের দেহ যে সেমিনার হল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল সেই সেমিনার হলেই ঘটনার পরের দিন সংস্কারের কাজ শুরু হয়। হাসপাতালের বিক্ষোভরত জুনিয়র চিকিৎসকরা তেড়ে গিয়ে সেই সংস্কারের কাজ বন্ধ করেন। যেখানে এমন এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে সেখানে পরের দিন কীভাবে সংস্কারের কাজের অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা।
আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের দেহ যে সেমিনার হল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল সেই সেমিনার হলেই ঘটনার পরের দিন সংস্কারের কাজ শুরু হয়। হাসপাতালের বিক্ষোভরত জুনিয়র চিকিৎসকরা তেড়ে গিয়ে সেই সংস্কারের কাজ বন্ধ করেন। যেখানে এমন এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে সেখানে পরের দিন কীভাবে সংস্কারের কাজের অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা।
তাহলে কি তকথ্য প্রমাণ লোপাটের জন্য তড়িঘড়ি সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছিল। এবং তার অনুমতি কি পরিকল্পনা করে আগে থেকেই দেওয়া হয়েছিল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ঘটনা ঘটবে জানতে পেরেই কি আগে থেকে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সংস্কারের অর্ডার পাস করিয়ে রেখেছিলেন। আর ঘটনার পরে পুলিশ কেন সেমিনার হল সিল করে দিয়ে যায়নি। সাধারণ খুন বা ধর্ষণ এই জাতীয় কোনও ঘটনা কোথাও ঘটলে সেই জায়গাটি পুলিশ সিল করে দিয়ে যায়। কিন্তু আরজি কর হাসপাতাল চিকিৎসক তরুনীকে যেখানে খুন করে ধর্ষণ করা হয়েছিল সেই সেমিনার হলে কিছুই করেনি পুলিশ। অনেকটা বেওয়ারিশ লাশের মতোই বেওয়ারিশ পড়েছিল জায়গাটি।
হাসপাতালের কোথাও তেমন ভাবে কোনও সিসিটিভি কাজ করছিল না বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছে মহিলা কমিশন। মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকদের নিরাপত্তার তেমন কোনও ব্যবস্থাই সেখানে ছিল না। এই নিয়েও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ১৪ অগাস্ট গোটা কলকাতা শহর যখন মধ্যরাতে মেয়েরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে ঠিক তখনই আরজি কর হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচর চালায় একদল দুষ্কৃতি। তাঁদের টার্গেট ছিল সেমিনার রুম এমনই সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রমাণ লোপাটের জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications