RG Kar Hospital: এবার সন্দীপ ঘোষকে তলব হাইকোর্টের, নিয়োগ পত্র ও পদত্যাগ পত্র নিয়ে হাজিরার নির্দেশ
চাপ বাড়ল আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের উপরে। কলকাতা হাইকোর্টে দুপুর ১টার মধ্যে তাকে আদালতে হাজিরা দিতে বলেছে। নতুন নিয়োগপত্র এবং তাঁর গতকালের পদত্যাগপত্র নিয়েও আসতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরজি করের ঘটনার কেস ডায়রি তলব করা হয়েছে।
সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে অধ্যক্ষ পদে বসানোর পরেই সেখানে বিক্ষোভ শুরু করেছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। সকালে সেখানে গিয়ে কথা বলেন রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি। তারপরেও আন্দোলন কারীরা বিক্ষোভ সরাতে রাজি হয়নি। উল্টে গো ব্যাক স্লোগান দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ককেও।

সন্দীপ ঘোষকে কিছুতেই তাঁরা হাসপাতালে ঢুকতে দেবেনা বলে হুঙ্কার দিয়েছে। এমনকী ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজকে কিছুতেই আরজি কর হাসপাতাল হতে দেওয়া হবে না বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। অনেকেই মনে করছে কেবল আইওয়াশ করতেই সন্দীপ ঘোষকে আরজি কর মেডিকেল কলেজ থেকে সরানো হয়েছে।
সন্দীপ রায় কী ভাবে নির্যাতিতার মা-বাবাকে তিন ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেছেন দুপুর ৩টে পর্যন্ত তাঁকে ছুটিতে যেতে বলা হয়েছে। সেটা না করলে কড়া সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। গতকাল আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ করা হয়। তাহলে কি তাৎ পদত্যাগ পুরোটাই পরিকল্পিত ছিল। সাজানো ঘটনা এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। আরজি কর হাসপাতালকে আবর্জনার স্তূপে পরিণত করা হয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা শিকেয় উঠেছে। পড়ুয়াদের নানা ভাবে প্রতিদিন হেনসথা করা হতো। এবং সেখানকার জুনিয়র চিকিৎসকদের অমানুসিক খাটানো হতো। তাঁদের কোনও বিশ্রাম ছিল না। কার্যত ভয়ের রাজত্ব তৈরি করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ।
চিকিৎসক সংগঠন গতকাল প্রকাশ্যেই সন্দীপ ঘোষের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন। এতো বিরোধিতা দুর্নীতির পরেও কীভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে পুন র্বহাল করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। তাহলে কি পুরো ঘটনাই সাজানো ছিল। কোনও প্রভাবশালীকে বাঁচাতেই সন্দীপ ঘোষকে বহিস্কার করতে চাইছে না সরকার। কেন তাঁকে অন্য পদে বহাল করা হল।
প্রধান বিচারপতি এদিন এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো সন্দীপ ঘোষকে ভর্ৎসনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কতটা প্রভাবশালী লোক তিনি যিনি সকালে চাকরি ছাড়লেন বিকেলে তাঁকে অন্য পদে বহাল করা হল। কিসের পুরস্কার দেওয়া হল তাঁকে। বিকেল তিনটের মধ্যে তাঁকে ছুটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি নইলে বড় সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications