RG Kar Hospital: আগে খুন তারপরে ধর্ষণ, আরজি কর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে
পরতে পরতে রহস্য। আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের রহস্য মত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে যে আগে ধর্ষণ নয় তরুণীকে আগে গলা টিপে খুন করা হয়েছিল। তারপরে তাঁকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত।
আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ঘুমন্ত অবস্থাতেই গলা টিপে খুন করা হয়েছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করার পরেই চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। এমনই জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায় ছাড়া আর কারো হাত রয়েছে কিনা সেটা এখনও স্পস্ট নয়।

আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে আসছে তদন্তকারীদের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে যা তথ্য হাতে এসেছে পুলিশের তাতে খুন এবং ধর্ষণ উভয় তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সিসিটিভি যে সেমিনার হলে নেই সেটা আগেই জানত অভিযুক্ত।
তবে সঞ্জয় রায়কে পুলিশ আরজির হাসপাতালে কোনও দায়িত্ব দেয়নি বলেই জানিয়েছে। কয়েক মাস আগে আরজির হাসপাতালে গণ্ডগোলের সময় নাম জড়িয়েছিল এই সঞ্জয় রায়ের। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন আরজিকর হাসপাতালে এবং NRS হাসপাতালে রোগীদের দেখভাল করতেন হাসপাতালে।
ঘটনার দিন যে ইয়ারফোন গলায় ঝুলিসে সেমিনার হলে ঢুকেছিল সঞ্জয় রায়। আধঘণ্টা পর সে যখন সেমিনার হল থেকে বেরোয় তখন তারক গলায় সেই ইয়ারফোন ছিল না। তরুনী চিকিৎসকের দেহের পাশ থেকে সেই ইয়ারফোন উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তারপরেই সন্দেহ ঘনীভূ হয়। সঞ্জয়কে আটক করে জেরা শুরু করে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত সেই ঘটনা অস্বীকার করেনি অভিযুক্ত ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার।
আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। পুলিশ জানতে পেরেছে ভবানীপুরে বাড়ি অভিযুক্তের কিন্তু সে থাকত উল্টোডাঙার পুলিশ ব্যারাকে। সেখানে এক প্রকার নিয়ম ভেঙেই থাকত সে। পুলিশের একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। এবং সেই সুবাদেই বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জেরায় অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে সঞ্জয় রায়। তবে তাতে কোনও অনুতাপ নেই তার। নেই কোনও ভয়ও। উল্টে তদন্তকারীদের সে বলেছে ফাঁসি দিলে দিয়ে দিন। একেবারে নির্লিপ্ত রয়েছে পুরো ঘটনাটি নিয়ে। জানা গিয়েছে মহিলা পুলিশকর্মীদেরও উত্যক্ত করত সে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল জানিয়েছেন এই ঘটনায় দোষী যেই হোক তাকে রেয়াত করা হবে না। গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযুক্তের ফাঁসির সাজা দাবি করেছেন। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ফাঁসির সাজা দেওয়ার কথা বলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications