RG Kar Case Verdict: মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ আছে..? বিচারকের প্রশ্নের উত্তরে সঞ্জয় বলল...
RG Kar Case Verdict: আমি কিছু করিনি। ফাঁসানো হচ্ছে। ফের একবার আদালতে দাবি আরজি কর দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়। শিয়ালদহ আদালতের ২১০ নম্বর কোর্টরুমে ঠিক ১২ টা ৩৬ মিনিট থেকে এই মুহূর্তের সবথেকে সর্বথেকে চর্চিত মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। মামলার শুনানিতেই সঞ্জয় রায়ের বক্তব্য জানতে চান বিচারক। আগের দিন অর্থাৎ শনিবারই এই সংক্রান্ত মামলায় সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করে।
সেই সময়েই ধৃত সিভিক আদালতকে জানায়, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। যা বলতে বলা হয়েছিল তাই বলেছি। এই বিষয়ে বলার জন্য আজ সোমবার সময় নির্ধারিত করেছিলেন বিচারক। সেই মতো এদিন মামলার শুনানি শুরুতেই সঞ্জয়ের বক্তব্য বলতে দেওয়া হয় (RG Kar Case Verdict) ।

সেই মতো সঞ্জয় ফের একবার তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করে। সে জানায়, ''অনেক কাগজে আমাকে জোর করে সই করানো হয়েছে। আমাকে বিনা কারণে ফাঁসানো হয়েছে। আমি শনিবারও আপনাকে বলেছি, আমি রুদ্রাক্ষের মালা পরে থাকি। আমি যদি সত্যিই অপরাধ করতাম, তাহলে অপরাধস্থলে আমার রুদ্রাক্ষের ছেঁড়া মালা পাওয়া যেত''।
#UPDATE | RG-Kar rape-murder case: Judgement (pronunciation of punishment) will be announced at 2:45 pm
— ANI (@ANI) January 20, 2025
Accused Sanjay's lawyer says, "Even if it is a rarest of rare case, there should be scope for reformation. The court has to show why the convict is not worth reformation or… https://t.co/Fvi6XVOnqm
শুধু তাই নয়, তাঁকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করে দোষী সাব্যস্ত সিভিক। এরপরেই বিচারক জানায়, কি ঘটেছে আপনার থেকে ভালো কেউ জানে না। এরপরেই বাড়িতে কে আছে তা সঞ্জয়ের কাছে জানতে চা বিচারক।
উত্তরে জানান, বাড়িতে মা আছেন। বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগ নেই? ফের একবার সঞ্জয়ের কাছে জানতে চান বিচারক। উত্তরে সে জানায়, পুলিশের ব্যারাকে থাকতাম। মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না। এরপরেই বিচারক ফের একবার সঞ্জয়ের কাছে জানতে চান নির্দোষ ছাড়া আর সেই কিছু বলতে চায় কিনা? উত্তরে সে নিজেকে ফের একবার নির্দোষ বলেন। যেটা করা হয়নি, সেটা বলা হচ্ছে।
অন্যদিকে CBI-এর আইনজীবী সওয়ালে অংশ নেন। তিনি বলেন, এটি বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ। এই ঘটনা গোটা সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এই অপরাধে একমাত্র মৃত্যুদণ্ড হলেই সমাজের আস্থা বাড়বে। চিকিৎসক টাকার জন্য কাজ করছিলেন না বলেও সওয়াল সিবিআই'য়ের।
আইনজীবীর কথায়, একজন চিকিৎসক টানা ৩৬ ঘণ্টা মানুষের সেবা করছিলেন। আর অপরদিকে যে অপরাধী সে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। রক্ষক এখানে ভক্ষক বলেও মন্তব্য সিবিআই'য়ের। অন্যদিকে অন্যদিকে সঞ্জয়ের আইনজীবী এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনের কথা উল্লেখ করেন। বিরল থেকে বিরলতম ঘটনার ক্ষেত্রেও ফাঁসির সাজা দেওয়া যায় না। ফাঁসির পরিবর্তে অন্য কোনও বিকল্প সাজা দেওয়ার দাবি জানান আইনজীবী।
প্রথমার্ধে প্রায় ৪০ মিনিট এই সংক্রান্ত শুনানি হয়। এরপরেই আদালত কক্ষ ফাঁকা করে দেন বিচারক। এখন দেখার সবার বক্তব্য শুনে আদালত কি নির্দেশ শোনায়।












Click it and Unblock the Notifications