প্রেসিডেন্সি জেলে ডিম খেতে চেয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ, মিলল মোটা রুটি ও কুমড়োর ঘ্যাঁট
প্রেসিডেন্সি জেলের কুঠুরি এখন তার নিত্য সঙ্গী। সারাদিন সেখানেই থাকা খাওয়া। আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের এখনের ঠিকানা প্রেসিডেন্সি জেল। কিন্তু কোনওভাবেই সেখানে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তিনি।
জেলের খাবার মুখে দেওয়া যাচ্ছে না। তবুও খিদের পেটে সেই খাবারই তাকে খেতে হচ্ছে। জেলের ভিতর তার সঙ্গে যে জামাই আদর করা হবে না। সেই কথাও বুঝিয়ে দিয়েছেন জেল কর্তৃপক্ষ ও কর্মীরা। প্রেসিডেন্সি জেলে তাকে আদালতের নির্দেশে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু খাবার নিয়ে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন তিনি।

প্রেসিডেন্সি জেলে আলাদা করে একটা ডিম খেতে চেয়েছিল সন্দীপ ঘোষ। কিন্তু পত্রপাঠ তাকে না করে দেওয়া হয়। জেলের খাবার মুখে তোলা যায় না বলে বিদ্রোহ করার চেষ্টা করেছিলেন সন্দীপ। কিন্তু আখেরে কোনও কাজ হয়নি। বাড়ির খাবার জেলে পাওয়া যায় না। তাই জেলের খাবার খেতে হবে। খাবার অভ্যাস করতে হবে। এ কথাই বুঝিয়ে দিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।
"আমাকে একটা ডিম সিদ্ধ দেবেন রাতে।" প্রেসিডেন্সি জেলে এমনটাই বলেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। উপস্থিত সেখানের কারারক্ষীরা বলেন, "আপনার এই আবদার রাখা সম্ভব নয়।" অগত্যা রাতে জুটল কেবল মোটা রুটি আর কুমড়োর ঘ্যাঁট। সেই খাবার দেখে উত্তেজিত হয়ে ওঠে সন্দীপ৷ ওই খাবার কি মুখে তোলা যায়? অসম্ভব। ওই খাবার খাওয়া যাচ্ছে না। এই কথা জোর দিয়ে বলে সন্দীপ ঘোষ।
কিন্তু তাও কোনও সহানুভূতি আসেনি কারারক্ষী ও কর্তৃপক্ষের। সকলেই সেই খাবার খাচ্ছে জেলে। সন্দীপ ঘোষ আলাদা নয়। তাই ওই খাবার খেতে হবে। শেষপর্যন্ত জেলের খাবার দুপুর রাতে খেতে হচ্ছে। এখন কত দিন সেই খাবার খেতে হবে? তাও পরিষ্কার নয়।
চিকিৎসক হিসেবে তার লাইসেন্স ক্যানসেল হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। আইএমএ আগেই তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। চিকিৎসক থাকার সময় নিয়ম করে খাওয়া-দাওয়া। ফলও খেতেন নিয়মিত৷ শোনা যায়, তার ডায়েট চার্টও ছিল৷ এখন জেলবন্দি জীবনে সবই গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications