বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছে সব, মাথা বাঁচাতে ত্রিপলের নীচে একজোট আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা
নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গের উপর। শুক্রবার দুপুর থেকে কালো মেঘ কলকাতার আকাশে। ভারী বৃষ্টি চলছে কলকাতায়। তার মধ্যেই মাথা বাঁচাতে ত্রিপলের তলায় আশ্রয় নিয়েছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা।
সল্টলেক স্বাস্থ্য ভবনের বাইরে ঝেঁপে চলছে বৃষ্টি। কমবেশি ঝোড়ো হাওয়া রয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দমিয়ে রাখতে পারল না নিম্নচাপের এই বৃষ্টি। বরং তাঁরা আরও বেশি একজোট হলেন। মাথা বাঁচাতে পরস্পরকে আরও কাছে টেনে নিলেন। ত্রিপলের নীচে এক জোটে আশ্রয় নিলেন আন্দোলনকারীরা।

তিন দিন ধরে স্বাস্থ্য ভবনের বাইরে আন্দোলন চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে। নিজেদের দাবিতে অনড় আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকেও চিঠি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনের ঝাঁঝ যে আরও বাড়বে। তেমনই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
কিন্তু এই অবস্থাতে সামনে এসে পড়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। আজ থেকে আগামী তিন দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতাতেও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। সেই বৃষ্টিতে দুর্বিসহ অবস্থা আন্দোলনকারীদের। প্রবল বৃষ্টি ও হাওয়ার দাপটে ভিজে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রাস্তায় বসে থাকার জন্য ত্রিপল পাতা হয়েছিল সেইসব বৃষ্টির জলে ভিজে গিয়েছে।
মাথার উপর রোদ থেকে বাঁচতে ত্রিপল টাঙানো হয়েছিল। তার নীচেই কোনওরকমে মাথা গুঁজে দাঁড়িয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। ত্রিপলের মধ্যে বৃষ্টির জল এসে জমা হয়েছে। সেই জল বার বার বাইরে ফেলার চেষ্টা করেছেন আন্দোলনকারীরা৷ সেই ট্রিপলের জলও নীচে পড়ে ভেসে গিয়েছে রাস্তা। এক প্রকার দুর্বিসহ অবস্থায় রয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বৃষ্টি থামলেও মাটিতে বসার অবস্থা নেই। অনেকেই মাটিতে পাতা ত্রিপলের জল সরানোর কাজ করছেন। যতটা সম্ভব ত্রিপল শুকিয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। বেশিরভাগ আন্দোলনকারীরাই ভিজে গিয়েছেন। তবে আন্দোলন চলবে। সেখান থেকে এক পাও তাঁরা নড়বেন না। এটা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই।
কিন্তু ধারাবাহিক ভারী বৃষ্টি হলে কী হবে? এমন ভাবে সেখানে থেকে আন্দোলন সম্ভব? সেই প্রশ্ন উঠেছে৷












Click it and Unblock the Notifications