আরজি কর ছিল ঘুঘুর বাসা! সরকারি সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই বিস্ফোরক সন্দীপ ঘোষ
R G Kar Hospital Incident: প্রবল চাপের মুখে আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদ থেকে সকালেই ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করেন। নিয়ম মেনে স্বাস্থ্য দফতরে গিয়ে ইস্তফাও দেন। তবে জানা যাচ্ছে, শুধু প্রিন্সিপাল পদে নয়, অধ্যাপক পদ থেকেও ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন সন্দীপ ঘোষ।
পরে তিনি জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছি। কোনও পদেই আর থাকছি না। একই সঙ্গে কেন তিনি টার্গেট হলেন তাও ব্যাখ্যা করে সন্দীপবাবু। বলেন, আমি স্পষ্ট ভাষায় কথা বলতে ভালোবাসি। কেউ চুরি করলে তাঁকে চোর বলতেই ভালোবাসি। আর সেই কারনেই টার্গেট হতে হয়েছে (R G Kar Hospital Incident)।

স্পষ্টবক্তাদেরই শত্রু বেশি হয় বলেও মন্তব্য করেন আরজি কর সরকারি হাসপাতালের প্রাক্তন এই প্রিন্সিপাল। এই বিষয়ে তাঁর আরও দাবি, আরজি কর হাসপাতাল একটা সময় ঘুঘুর বাসা ছিল। অবাধ তোলাবাজি থেকে শুরু করে একাধিক অপকর্মের কথা তুলে ধরেন। এর পিছনে রাজনৈতিক নেতাদেরও বড় মদত ছিল বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি করেন সন্দীপ ঘোষ।
তবে আরজি কর হাসপাতালের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমূল বদলের দাবি করেন তিনি। বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরেই অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। তোলাবাজি এখন আর হয় না। আগে রোগী ভর্তি করা নিয়েও ঘুষ নেওয়া হতো। কিন্তু এখন তা হয় না। সমস্ত রোগীই যাতে পরিষেবা পায় সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ আসলেই যাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেই কথাও জানান সন্দীপ ঘোষ। আর সেটাই তাঁর কার্যত বিপদ ডেকে আনে বলে দাবি তাঁর
বলেন, পুরো ঘটনার জন্য অধ্যপকদের একটা অংশ জড়িত। আমি কাউকেই আড়াল করে রাখিনি। আমার সঙ্গে না পেরেই টার্গেট বলে দাবি। বলে রাখা প্রয়োজন, আরজি কর হাসপাতালে ভয়াবহ ঘটনার পরেই উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনার পরেই সুপার এবং প্রিন্সিপালের পদত্যাগ এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন আন্দোলনরত জুনিয়ার চিকিৎসকরা। প্রবল চাপের মুখে রবিবার আরজি করের সুপারকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এরপর আজ সোমবার সকালে হাসপাতালে গিয়েই ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান সন্দীপ ঘোষ। তিনি জানান, বাংলার মানুষ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ। যদিও আরজি কর হাসপাতাল বিক্ষোভরত ছাত্রদের দাবি, উনি যে পদত্যাগ করেছেন তার লিখিত কপি চাই। মুখের কথায় বিশ্বাস করিনা। কেউ যদি বলে চাঁদে যাচ্ছি। এমনটা নয়। দাবি পুরন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।












Click it and Unblock the Notifications