RG Kar Hospital Case: 'দৌড়বীর' এএসআই অনুপ দত্তর পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি দিল আদালত
নিজের দৌড়ের জন্য গত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর অনুপ দত্তের পলিগ্রাফ টেস্ট করার অনুমতি আদালতে পেয়ে গেল সিবিআই। আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডে অনুপ দত্তের কী ভূমিকা রয়েছে এবং তিনি ট্রেনি চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুন কাণ্ডে কিছু আড়াল করার চেষ্টা করছেন কিনা তা সিবিআই খতিয়ে দেখছে।
সিবিআই সূত্রে খবর, এই অনুপ দত্ত আরজি কর কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে নানা ধরনের সুবিধা করে দিয়ে থাকলেও থাকতে পারেন। সিবিআই খতিয়ে দেখছে যে ঘটনার পর অভিযুক্ত সঞ্জয় রায় এই এএসআই অনুপ দত্তকে কোনও তথ্য সরবরাহ করেছিল কিনা এবং তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে কিনা।

এর আগে সিবিআই আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট করেছে। সোমবার সেই টেস্ট পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় তা মঙ্গলবারেও করা হয়।
বলে রাখা প্রয়োজন, পলিগ্রাফ টেস্টে যার পরীক্ষা করা হচ্ছে তার হার্ট রেট, নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের প্যাটার্ন, ঘেমে যাওয়ার প্যাটার্ন, এবং রক্তচাপ ইত্যাদি নানা বিষয়গুলিকে মেপে দেখা হয়। যদি তাদের প্রতিক্রিয়ায় অসঙ্গতি থাকে তাহলে তা এই পলিগ্রাফ টেস্টে ধরা পড়ে। যদিও টায়ালের ক্ষেত্রে এই পলিগ্রাফ টেস্ট কোনও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নয়। শুধুমাত্র কোনও গুরুত্বপূর্ণ মামলায় নতুন তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই এদিন বিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পলিগ্রাফ টেস্টের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনার পরে অভিযোগ যে, পুলিশ কমিশনার প্রথমে দাবি জানিয়েছিলেন যে নির্যাতিতা আত্মহত্যা করেছেন।
দুই সপ্তাহ আগে গত ১৩ অগাস্ট কলকাতা হাইকোর্ট আরজি কর হাসপাতালের মামলা সিবিআইকে হস্তান্তর করে। সিবিআইও সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, তাঁরা আশঙ্কা করছে এই ঘটনায় তথ্য প্রমাণ চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এবং যে স্থানে অপরাধ ঘটেছে সেই স্থান বদলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
গত ৯ অগাস্ট উত্তর কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসক কর্মরত অবস্থায় হাসপাতালের মধ্যেই প্রথমে ধর্ষিত হন এবং পরে তাঁকে হত্যা করা হয়। হাসপাতালেই চতুর্থ তলায় সেমিনার হলে তাঁর দেহ পাওয়া যায় এবং একদিন আগে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, ঘটনার পরে প্রচুর মানুষ সেই সেমিনার হলে ভিড় করেছেন। এই ঘটনার পরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গেলে কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে ভিডিওটি সত্যি হলেও ক্রাইম সিন ঘিরে রাখা হয়েছিল। এবং সেখানে কোনও ধরনের ব্যক্তির প্রবেশ হয়নি। অথবা তথ্য প্রমাণ নষ্টের যে আশঙ্কা করা হচ্ছে তার অবকাশ ছিল না।












Click it and Unblock the Notifications