পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আর্থিক যোগ, হাতে হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট! মানিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি
West Bengal Recruitment Scam: পার্থ মানিক সুজয় একই সুতোয় গাঁথা! কলকাতা হাই কোর্টে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুধু তাই নয়, নিয়োগ দুর্নীতিতে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের খুবই ঘনিষ্ঠতা ছিল।
তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং ফোন কলের মাধ্যমে এই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (West Bengal Recruitment Scam) মাসের পর মাস কেটে গেলেও এখনও জেল বন্দি রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।

সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। সম্প্রতি এই মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে। জামিন মামলার শুনানিতে একাধিক চাঞ্চল্যকর দাবি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এমনকি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়েও কার্যত বিস্ফোরক দাবি।
আইনজীবী মারফৎ মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, শুধু এই দুজনই নয়, এদের সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও আর্থিক দুর্নীতির সরাসরি (West Bengal Recruitment Scam) যোগ মিলেছে। এছাড়াও দুর্নীতির তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে বলেও বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে জানান তদন্তকারী এই সংস্থা। এই অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের তীব্র বিরোধীতা করা হয়।
ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি মামলার শুনানিতে বলেন, "পার্থ-মানিক-সুজয় দুর্নীতির একই সুতোয় গাঁথা। এই ধরনের আর্থিক অপরাধ কিংবা দুর্নীতি সমাজের বিভিন্ন স্তরে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।"
বক্তব্যে অনুব্রত মণ্ডল, গৌতম কুণ্ডুর আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার উল্লেখ করে এডুলজি। তিনি বলেন, ওই আর্থিক কেলেঙ্কারি সঙ্গে এই দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ও মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে ইন্টারলিঙ্ক রয়েছে বলেও জানান।
পাশাপাশি জামিনের বিরোধীতা করে বেশ কিছু নথিও জমা দেন তদন্তকারীরা।।পাশাপাশি জামিনের বিরোধিতা করে ইডির আইনজীবীরা মানিকের ভাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। জানান, মানিকের ছোট ভাই নিজেই দাদার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। ভাইয়ের বক্তব্যেই দাদার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
যদিও মানিক ভট্টাচার্যের জামিন মামলার কোনও নির্দেশ দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৫ আগস্ট ফের এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। জামিন পান কিনা সেদিকে নজর সবার। বলে রাখা প্রয়োজন, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মানিককে গ্রেফতার করেছিল ইডি।












Click it and Unblock the Notifications