Howrah Rape case: গলায় ছুরি ধরে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ, পৈশাচিক অত্যাচার! হাওড়ার ঘটনায় শিউরে উঠছে সমাজ
Howrah Rape case: ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ! পরিবারের লোকজনের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযোগের তির প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। হাওড়ার বালির নিমতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। যদিও ইতিমধ্যে ঘটনায় আজ সোমবার অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনার (Howrah Rape case) পরেই ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয় মানুষজন। অভিযুক্ত যুবকের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় ওই কিশোরীর বাড়িতে বাবা-মা কেউ ছিলেন না। ফাঁকা ছিল বাড়ি। আর কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত যুবক কিশোরীর বাড়িতে ঢোকে। এরপর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয় দেখায়, এমনকী ওই কিশোরীর উপর পাশবিক অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ।

শুধু তাই নয়, ধর্ষণ (Howrah Rape case) করা হয় বলেও অভিযোগ। কাউকে বললে তাঁকে প্রাণনাশেরও হুমকি সে দিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও কিশোরীর বাবা-মা বাড়ি এলে সে কান্নাকাটি করতে থাকে। তার প্রচন্ড পেটের যন্ত্রণা শুরু হয়। অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। তার বাবা-মা জিজ্ঞাসা করতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে সে সমস্ত ঘটনা বলে দেয়। এরপরই কিশোরীর বাবা বালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এর ভিত্তিতে ধর্ষণের অভিযোগে পকসো আইনে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। নির্যাতিতা কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে তার গোপন জবানবন্দী নিয়েছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, আরজি করে নৃশংস ঘটনার পর উত্তাল হয় বাংলা।
নিরাপত্তার দাবিতে রাতের পর রাত জাগে মহিলারা। ধর্ষণ বিরোধী কড়া আইন নিয়ে আসে সরকার। যেখানে ধর্ষণে ফাঁসির সাজার কথা বলা হয়েছে। এরপরেও একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে বাংলায়। প্রশ্নের মুখে মহিলা নিরাপত্তা।












Click it and Unblock the Notifications