Calcutta High Court: আদালত অবমাননায় সশরীরে হাইকোর্টে রাজীব সিনহা, ফের হাজিরা দিতে হতে পারে
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আদালত অবমাননায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কমিশনার রাজীব সিনহা। ওই মামলায় প্রধান বিচারপতির এজলাসে উপস্থিত হলেন রাজীব সিনহা। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন সঠিক সময়ে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়নি? এই প্রশ্ন উঠেছে।
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবগনম ও বিচারপতি উদয় কুমারের এজলাসে এই মামলা চলছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গত ১০ অক্টোবর এই বিষয়ে মামলা করেছিলেন। সেই ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রুল জারি করেছিল। রাজীব সিনহার বিরুদ্ধে গত ১৩ অক্টোবর রুল জারি করে আদালত।

আদালত অবমাননার রুল জারি করে আদালত। আজ শুক্রবার শশরীরে কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের এজলাসে আসেন রাজীব সিনহা। প্রশ্ন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার প্রসঙ্গে। অভিযোগের উত্তর দেওয়ার জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পাবেন রাজীব সিনহা।
হলফনামার মাধ্যমে ওই উত্তর দিতে হবে রাজিব সিনহাকে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের জবাব দিলে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে পাল্টা হলফনামা দিতে পারবেন অন্যান্য সব পক্ষ। আগামী ৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানি। আদালত প্রয়োজন মনে করলে আবারও ডেকে পাঠানো হতে পারে রাজীব সিনহাকে। এই কথাও জানা গিয়েছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্যের সর্বত্র বাহিনী সঠিক সংখ্যায় রাখতে হবে। এই নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই মতো রাজ্যে বাহিনী এসে পৌঁছায় ধাপে ধাপে। কিন্তু বাহিনীর ভূমিকা ও ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
নির্বাচন কমিশন সব জায়গায় সঠিক সংখ্যায় বাহিনী দেয়নি। বাহিনীকে অনেক জায়গায় ব্যবহারই করা যায়নি। রাজ্য পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ারদের বুথের নিরাপত্তা দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা তাঁর ভূমিকা পালন করেননি। এই অভিযোগ উঠেছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে লাগামছাড়া সন্ত্রাদের অভিযোগ ওঠে। রাজ্যের শাসক দল সন্ত্রাস চালায়। আগে থেকে ব্যালট লুঠ হয়ে গিয়েছিল। ব্যালট বাক্স লুঠ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিক সময়ে ব্যবহার করা হল না। এই অভিযোগ জোরালোভাবে উঠেছিল।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা তাঁর বক্তব্য পেশ করেছিলেন তারপরেই। বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কথা উঠেছিল সেইসময়। তারপরেই আদালতে মামলা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে রুল জারির আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আবেদন মেনেই রুল জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।












Click it and Unblock the Notifications