বাঙ্গুরের পর আর জি করের মাথায় সেরা শিরোপা, পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারকে স্বীকৃতি WHO-র
বাঙ্গুরের পর আর জি করের মাথায় সেরা শিরোপা, পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারকে স্বীকৃতি WHO-র
কিছুদিন আগেই কলকাতার বাঙুর হাসপাতালকে দেশের সেরা জেলা হাসপাতালের তকমা দিয়েছিল নীতি আয়োগ৷ এবার সেরার শিরোপা এল কলকাতারই আর এক মেডিক্যাল কলেজের ঝুলিতে৷ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ডাইরেক্টরি অফ ওয়ার্ল্ড পয়জন সেন্টারের তালিকাভুক্ত হল R G Kar মেডিক্যাল কলেজের পয়জন ইনফরমেশন সেন্টার। গতকালই মেইল করে এই খবর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে ডব্লিউএইচও-র পক্ষ থেকে।

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল রাজ্যের বড় সরকারি হাসপাতালগুলির একটি৷ এই হাসপাতালের পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারের দায়িত্বে বর্তমানে রয়েছেন ডঃ সোমনাথ দাস। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন বিশ্বের ৩৫০ টি সংস্থাকে এই সম্মান দিয়েছে WHO, এর পর থেকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পয়জন ইনফরমেশন সেন্টার থেকে যে তথ্য WHO তে পাঠানো হবে তা বিশ্বে স্বীকৃত হবে৷ কী কাজে লাগে এই পয়জন ইনফরমেশন সেন্টার? চিকিৎসকের কথায় সারা বিশ্বেই বিভিন্ন বিষ ও তার অ্যান্টিডট নিয়ে গবেষণা হয়৷ এখন থেকে আর জি করের পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারে গবেষণায় পাওয়া তথ্য তারা যেমন WHO-র শেয়ার করতে পারবে একইভাবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তালিকাভুক্ত পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারগুলি থেকে তথ্য নিতে পারবে। এতে চিকিৎসা ও গবেষণার উন্নতি ঘটবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা৷
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ১৮৮৬ তে স্থাপিত হলেও এখানের পয়জন ইনফরমেশন সেন্টারটি ২০১৮ তে তৈরি হয়েছে৷ পথ চলা শুরুর তিন বছরের মধ্যেই এই বড় রকমের সাফল্যে খুশি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা৷ করোনারকালেও রাজ্যের চিকিৎসার অন্যতম বড় ভরসার জায়গা এই আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ। কলকাতার এই হাসপাতালে প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়েভের সময় প্রচুর মানুষ চিকিৎসা পেয়েছেন৷
প্রসঙ্গত, ২০১৮-১৯ এ রোগীদের পরিষেবরা উপর ভিত্তি করে এর আগে নীতি আয়োগ কলকাতার বাঙুর হাসপাতালকে সেরার শিরোপা দিয়েছিল৷ শেষ কয়েকবছরে পরিকাঠামোগত উন্নতি ঘটিয়ে কলকাতার সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলি৷ করোনার সময়ও একজনও রোগী ফেরাতে দেখা যায়নি বাঙুর হাসপাতালকে৷ রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরটি নিজের হাতেই রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এবং তৃণমূলের একাধিক নেতারা মাঝে মধ্যেই দাবি করে থাকেন তাঁর সময়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় ব্যপক উন্নতি হয়েছে৷ সেই দাবিতে শীলমোহর লাগানোর কাজটা নীতিআয়োগ এবং WHO করল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷












Click it and Unblock the Notifications