আবাস যোজনায় দুর্নীতি গড়াল হাইকোর্টে, তদন্ত চেয়ে মামলা পুরুলিয়া জেলা বিজেপি সভাপতির
আবাস যোজনায় দুর্নীতি গড়াল হাইকোর্টে, তদন্ত চেয়ে মামলা পুরুলিয়া জেলা বিজেপি সভাপতির
আবাস প্রকল্প দুর্নীতির তদন্ত দাবি করে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা। পুরুলিয়ার বিজেপি সভাপতি হাইকোর্টে মামলা করেছেন। এই প্রকল্পের টাকা বিতরণের উপর স্থগিতাদেশও চেয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ তালিকায় এখনও প্রচুর গড়মিল রয়েছে। এখনও তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে। এবং অনেকেই রয়েছেন যাঁরা শাসক দলের ঘনিষ্ঠ।

আবাস যোজনায় দুর্নীতি
পঞ্চায়েত ভোট এগিয়ে আসতেই কেন্দ্রের আবাস যোজনা প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। েই নিয়ে গ্রামে গ্রামে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত প্রধানদের। এমনকী বিডিওদেরও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। একাধিক জায়গায় অভিযোগ করা হয়েছে শাসক দলের নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং আত্মীয়দের অনৈতিক ভাবে আবাস যোজনার টাকা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁকের পাকা বাড়ি রয়েছে তারপরেও তাঁরা টাকা পাচ্ছেন না। আর যাঁদের বাড়ি নেই তাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এবং শাসক দলের নেতাদের চক্রান্তেই এই ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি।

হাইকোর্টে মামলা বিজেপির
আবাস দুর্নীতি মামলা নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন পুরুলিয়ার বিজেপি সভাপতি। তিনি হাইকোর্টে আবাস যোজনায় দুর্নীতির তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁর দাবি আবাস যোজনার টাকা বিতরণে এখনই স্থগিতাদেশ জারি করুক আদালত। কারণ তালিকায় এখনও অনেক গড়মিল রয়েছে। ন্যায্য প্রাপকদের বঞ্চিত করে বেআইনি ভাবে অযোগ্যদের তালিকায় জায়গা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে যাঁরা গরিব তাঁদের টাকা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

পঞ্চায়েত ভোটের আগে হাতিয়ার বিজেপির
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম বদলের অভিযোগে প্রথমে সরব হয়েছিল বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছিলেন। তারপরে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। পরে আবার সেই প্রকল্পে কয়েকশো কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু টাকা দেওয়ার পরেই শাসক দলের নেতারা সেই টাকা নিজেদের পকেটে পুরেছে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে একাধিক গ্রামাঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

কড়া শাসকদলও
আবাস যোজনায় দুর্নীতি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করেছে শাসক দলও। ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পূর্ব মেদিনীপুর এবং রানাঘাটের দুই গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান । দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে শাসক দলের পক্ষ থেকে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। তাতে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। সেই অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলেই তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications