আদিত্যনাথের 'বুলডোজার রাজনীতি'র' বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা
বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মার মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড়! ঘটনার প্রতিবাদে উত্তরপ্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে বাংলাতেও। বিজেপি নেত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদের ঝড় ওঠে বাংলাতেও। হাওড়া সহ বিভিন্ন অং
বিজেপি নেত্রী নুপুর শর্মার মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড়! ঘটনার প্রতিবাদে উত্তরপ্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে বাংলাতেও। বিজেপি নেত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদের ঝড় ওঠে বাংলাতেও। হাওড়া সহ বিভিন্ন অংশে অশান্তির খবর সামনে আসে। যদিও এখন পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

তবে এই সংঘাত বিতর্কের মধ্যেই যোগী প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড়! তাও আবার কিনা সেই কলকাতাতেই। যা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডে'র প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, 'ওয়েলফেয়ার পার্টি অফ ইন্ডিয়া', এই সংগঠনের নামে এই বিক্ষোভ দেখানো হয়। যোগী সরকারের 'বুলডোজার রাজনীতি'র' প্রতিবাদে আজ বুধবার সংগঠনের তরফে রাজভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। সেই মতো দুপুরের পর থেকেই সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে জমায়েত শুরু হতে শুরু করে। লাগাতাঁর স্লোগান এবং বিক্ষোভে কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।
সংগঠনের দাবি, অবিলম্বে জাভেদ মহম্মদকে ছাড়তে হবে। নুপুর শর্মা মন্তব্যের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অংশে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। আর সেই ঘটনায় জাভেদ আহমেদকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। আর সেখানেই তাঁর মুক্তি'র দাবি জানানো হয়। এমনকি সেখানেই বুলডোজার রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়।
আর সেই দাবিতেই এদিন ধীরে রাজভবনের সামনে ওই সংগঠনের মিছিল এগোতেই পুলিশ আটকে দেয়। যা নিয়ে কার্যত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি বেঁধে যায়। আর এরপরেই পুলিশের তরফে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। আর তাদে প্রায় ১০০ জনকে আটক করা হয় বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে 'ওয়েলফেয়ার পার্টি অফ ইন্ডিয়া'র তরফে সদস্য সারওয়ার হাসান বলেন, উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার যা পারছে করছে। বুলডোজর চালিয়ে যে রাজনীতি করা হচ্ছে সেটিও ঠিক নয় বলেই দাবি সংগঠনের। শুধু তাই নয়, জাভেদ মহম্মদ তাঁদের সংগঠনের নেতাকে বেআইনি ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও দাবি। এমনকি তাঁর বাড়িও ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের। যা নিয়ম এবং আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন হিংসায় অভিযুক্তদের সম্পত্তি কেড়ে কিংবা ভেঙে দেওয়ার নীতি নিয়েছে যোগী সরকার! সেই মতো গত রবিবার বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রয়াগরাজের হিংসায় ধৃত 'ওয়েলফেয়ার পার্টি অব ইন্ডিয়া'-র নেতা জাভেদ আহমেদের বাড়ি। যদিও পরে জানা যায় বাড়িটি তাঁর স্ত্রীয়ের নামে। যা নিয়ে চরম বিতর্ক। দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়। আর এই বিতর্কের মধ্যেই এই ঘটনায় কলকাতাতেও সমালোচনার ঝড়।












Click it and Unblock the Notifications