অকালেই চলে গেলেন 'কাছের মানুষ', শোকস্তব্ধ সুচিত্রা অনুরাগীরা
কলকাতা, ১৩ মে : অকালেই চলে গেলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্য। মাত্র ৬৫ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন এই 'কাছের মানুষ'টি। লেখিকার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মহল। শোকস্তব্ধ সুচিত্রা অনুরাগীরা। [জনপ্রিয় সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যের জীবনাবসান]

সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট কিছু ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হল এখানে
- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় (সাহিত্যিক): "এই তো সেদিন দেখা হল, কথা হল, ভাবতেই পারছি না কী হল...মনে হচ্ছে আত্মবিয়োগ ঘটেছে, কাল থেকেই যেন আমি নড়বড়ে হয়ে গিয়েছি। আমার শরীর খারাপ লাগছে ভাবলেই।"
- ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (অভিনেত্রী): 'ওঁর দহনই তো আমাকে জাতীয় পুরস্কার এনে দিয়েছিল। বিশ্বাস করতে পারছিনা সুচিত্রাদি নেই। মুখের ওই হাসিটা আর দেখতে পাব না।'
- কৌশিক সেন ( নাট্যব্যক্তিত্ব ): 'এত মিষ্টি স্বভাবের...(থমকে গিয়ে) কী প্রতিক্রিয়া দেব সত্যিই বুঝতে পারছিনা।'
- অপর্ণা সেনে (অভিনেত্রী তথা পরিচালক): "খুব সাধারণ মানুষ, মধ্যবিত্ত মানুষ, ছাপোষা মানুষ ওঁর লেখার সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করতে পারত। আত্মীয়তাবোধ করতে পারত। সেটা হয়তো চিরতরে চলে গেল।"
- সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (অভিনেতা) : আমার সঙ্গে সেভাবে ঘণিষ্ঠতা ছিল না। তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাঝে মধ্যেই দেখা হত। বড্ড মিষ্টি স্বভাবের মানুষ ছিলেন। এত অল্প বয়সে চলে যাওয়াটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
- গৌতম ঘোষ (পরিচালক) : 'উনি আমার ও আমার স্ত্রীয়ের প্রিয় লেখক ছিলেন। এভাবে অকালে চলে যাওয়াটা সাহিত্য জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। এত সহজ ভাষায় এত কঠিন বাস্তব বুঝিয়ে দিয়ে পারতেন। ওঁর আমাদের সমাজকে আরও অনেককিছু দেওয়ার ছিল। '
- তনুশ্রী শঙ্কর (অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী): 'ভাবতেই পারছি না এমন ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে ওনার সঙ্গে, অভিভাবকের মতো ছিলেন।'












Click it and Unblock the Notifications