অধ্যক্ষার নথিপত্র কি জাল? সিআইডি তদন্তের নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের
যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী ল কলেজের অধ্যক্ষার মামলায় নতুন মোড়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিআইডিকে তদন্তের ভার দিলেন। নথি জাল করে অধ্যক্ষা সুনন্দা ভট্টাচার্য গোয়েঙ্কা চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। এই অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অধ্যক্ষার চাকরি বাতিল করে দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়৷ অধ্যক্ষা যেন তার ঘরে ঢুকতে না পারেন, সেজন্য দরজায় তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশের পর অধ্যক্ষা ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন।

ডিভিশন বেঞ্চ অধ্যক্ষাকে কাজে যোগ দিতে রায় দেয়। ওই মামলা সিঙ্গেল বেঞ্চ অর্থাৎ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসেই হবে। সেই কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। কেবল মোবাইলে কথা বলে অধ্যক্ষাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত সিঙ্গেল নাই নিতে পারত। সে কথা ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল।
তবে অভিযোগ যখন উঠেছে তার সত্যতা বিচার হবে। সেক্ষেত্রে তদন্ত চলবে, এই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, অধ্যক্ষাকে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। সিঙ্গেল বেঞ্চে হলফনামা দিতে হবে। এই কথাও ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ফের মামলাটি ওঠে। সুনন্দার বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্ত করবে। এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সুনন্দা ভট্টাচার্য গোয়েঙ্কা যে নথি দিয়েছেন, সেইসব জাল না কী আসল? তাই তদন্ত করে দেখবে সিআইডি।
গত পাঁচ বছরে কলকাতা পুলিশের এন্টি ফ্রড সেকশন তদন্তে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণেই সিআইডিকে তদন্তভার দেওয়া হল। এমনই পর্যবেক্ষণ বিচারপতির। ১৮ অক্টোবর তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখবে আদালত। অন্যদিকে, সুনন্দার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল দানিশ ফারুক নামে এক ছাত্র। সেই ছাত্রেরই এক লক্ষ টাকা জরিমানা করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications