ইডির জেরার মুখে প্রশান্ত চৌধুরী ও অপর্ণা মৌলিক, পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত
ফের ইডির অফিসে এলেন টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। বুধবার ভাইফোঁটার দিন তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন। তাকে বেশ কয়েক ঘণ্টা জেরা করা হয়েছিল। এদিন ফের তাকে ডাকা হল। শুধু তিনিই নন, বরাহনগর পুরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা মৌলিকও ইডি অফিসে গিয়েছেন।
দুজনকেই ইডির তরফ থেকে তলব করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়েই তারা সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছেন বলে খবর। এই খবর লেখার সময় তার দুজনেই ভিতরে আছেন। পুর নিয়োগ নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছেন ইডি আধিকারিকরা। সেই বিষয়েই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে খবর।

শুক্রবার বেলার দিকে ফের ইডি দফতরে হাজির হন টিটাগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। গতকালের পর আজ ফের তাকে ডাকা হয়। এই নিয়ে চতুর্থ বারের জন্য জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন প্রশান্ত চৌধুরী। গতদিন তিনি বলেছিলেন, "আমি এসেছিলাম জানতে যে ওনারা কবে আসবেন। যিনি আইও ওনার কাছে জানতে এসেছিলাম, কবে আমাকে আবার আসতে হবে। বললেন পরে ফোন করে জানাবে।"
তিনি আরও বলেছিলেন, "যে মোবাইলগুলো নিয়েছিল সেগুলো আমার সামনে খোলা হয়েছে। আবার সিল করা হয়েছে। নথি গুলো আমাদের দিতে হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে এইগুলো আমরা প্রসেস করেছি।" তার আমলে ২৪০ জোন পুরসভায় নিয়োগ হয়েছিল। সেকথাও বলেন তিনি। এর আগে ইডির তরফে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই সময় তার দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি।
এদিন বরাহনগর পুরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা মৌলিকও ইডি দফতরে আসেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এর আগেও একবার তাকে ইডি অফিসে আসতে হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তাকে।
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অয়ন শীলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই তদন্তে খানাতল্লাশির সময় আরও এক দুর্নীতির ছবি ধরা পড়ে। পুরসভাগুলিতে টাকার বিনিময়ে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। কলকাতার আশপাশের একাধিক পুরসভায় এই দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সেই তদন্তে মন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান হয়েছে। শুধু তাই নয়, পুরসভার প্রাক্তন ও বর্তমান চেয়ারম্যানদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications