ধর্মতলায় বাজছে ঢাক, ধর্মতলায় ব্যারিকেডের শিকল খুলল পুলিশ, উচ্ছ্বাস চিকিৎসকদের
হাইকোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। সিনিয়র চিকিৎসকদের দ্রোহের কার্নিভাল করাতে আর কোনও বাধা রইল না। এই কথা জানার পরেই ধর্মতলায় উচ্ছ্বাস চিকিৎসকদের। ধর্মতলায় বাজলো ঢাক। সাধারণ মানুষ দলে দলে যোগ দিচ্ছেন ধর্মতলায়। জুনিয়র সিনিয়র চিকিৎসকরা তো আছেনই। সাধারণ মানুষদের উচ্ছ্বাসও ফেটে পড়ল হাইকোর্টের রায়ে।
সকাল থেকেই ধর্মতলা চত্বরে লোহার ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ। প্রায় সব রাস্তাই বন্ধ করে দেওয়া হয়। লৌহকপাট মোটা চেন, তালা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। ১৬৩ ধারা ধর্মতলা চত্বরে গতকালই রাতেই জারি করেছিল কলকাতা পুলিশ। চিকিৎসকদের দ্রোহ কার্নিভাল ও জুনিয়র চিকিৎসকদের মানব বন্ধন কর্মসূচির অনুমতি নেই। এই কথাও কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

কলকাতা হাইকোর্টে মঙ্গলবার বিশেষ শুনানি হল। সেখানেই আরও একবার মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের। হাইকোর্টে অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। পুলিশকে অবিলম্বে ব্যারিকেড সরাতে হবে। এই কথা জানানো হয়। চিকিৎসকদের কার্নিভালে কোনও বাধা আর থাকল না। সেই কথা জানার পরেই উচ্ছ্বাস সাধারণ মানুষদের মধ্যে।
রাজ্য সরকারের কার্নিভাল বিকেলে শুরু হচ্ছে। ঠিক একই সময় সিনিয়র চিকিৎসকদের কার্নিভালও শুরু হওয়ার কথা। বহু সাধারণ মানুষ ধর্মতলায় জড়ো হয়েছে। সেখানেই হাততালি দিয়ে উচ্ছ্বাস দেখানো হয়। সমবেত মানুষের উচ্ছ্বাসে আন্দোলিত হয় ঐতিহাসিক ধর্মতলা চত্বর।
ডোরিনা ক্রসিংয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের অনশন মঞ্চ। সেখানেও পৌঁছে গিয়েছিল আদালতের রায়ের খবর। উচ্ছ্বাস দেখতে পাওয়া যায় জুনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যেও। তারাও ধর্মতলায় মানব বন্ধন কর্মসূচি করবেন। পুলিশের কোনও বাধা মানবেন না। এই কথা আগেই জানানো হয়েছিল। এবার তাঁদের কর্মসূচিতেও কোনও বাধা থাকল না।
আদালতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা লড়েন আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। একের পর এক কৌশলী প্রশ্ন আদালতে তুলে ধরেন বিকাশ। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একাধিক বক্তব্য রাখা হয়। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারের বক্তব্যে ভরসা রাখেনি। আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য নিজেও দ্রোহের কার্নিভালে সশরীর উপস্থিত থাকবেন। নিজেই জানান এই কথা।












Click it and Unblock the Notifications