Suvendu Adhikari: খেজুরির সভা নিয়ে পুলিশ নিশ্চুপ! ফের হাইকোর্ট গেলেন শুভেন্দু অধিকারী
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা ঘিরে ফের টালবাহানা। এবার পুলিশের তরফ থেকে কোনও প্রত্যুত্তরই দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে সভার দিন দোরগোড়ায়। ফলে রীতিমতো অস্বস্তি বাড়ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপির মধ্যে। ফের কলকাতা হাইকোর্টের দরজায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে শুভেন্দু অধিকারী সভা করবেন। ২ ডিসেম্বর সভার জন্য নির্দিষ্ট জায়গাও বাছাই হয়ে গিয়েছে। জেলা পুলিশের কাছে সভার অনুমতির জন্য অনেক আগেই আবেদন করা হয়। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেওয়া বা আবেদন খারিজ কোনও কিছুই জানাচ্ছে না। সেজন্যই আবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু।

বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এই আবেদন করা হয়। বিচারপতি মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। আগামী কাল অর্থাৎ শুক্রবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। এর আগেও শুভেন্দু অধিকারী সভার আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দারস্থ হয়েছিলেন।
ধর্মতলায় রাজ্য বিজেপির মেগা সভা হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এই সভা ঘিরে রীতিমতো তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। পুলিশ প্রশাসন এই সভার অনুমতি দিচ্ছিল না। কলকাতা হাইকোর্ট রীতিমতো ধমক দিয়েছিল রাজ্য প্রশাসনকে। সিঙ্গেল বেঞ্চ ও ডিভিশন বেঞ্চ ধর্মতলায় বিজেপির সভার অনুমতি দেয়। রাজনৈতিক মহল মনে করছে নবান্নের বারবার মুখ পুড়ছে।
এইসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিচ্ছে না জেলা প্রশাসন। বিভিন্ন জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর সভা থাকছে। অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশ বিজেপির সেই সভার অনুমতি দিচ্ছে না। তৃণমূলের সভা আছে এমন কথাই জানানো হচ্ছে। বিজেপি নেতাদের এমনই অভিযোগ। পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া সহ একাধিক জেলাতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। এর আগেও একাধিকবার সভা করার অনুমতি চেয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে।
আদালত অনুমতি নিয়ে বিজেপি প্রায় প্রত্যেকটি জায়গায় সভা করছে। তবে এবার খেজুরির সভায় প্রশাসন কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে। অনুমতিপত্র আবেদন অনেক আগেই তাদের কাছে পাঠিয়েছে জেলা বিজেপি। ২ ডিসেম্বর সভা রয়েছে খেজুরিতে। সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। আবার সভা করা যাবে না। এমন কথাও বলা হচ্ছে না।
পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে ফের শুরু হয়েছে চাপানউতোড়। খেজুরি বরাবর রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্জয় ঘাঁটি। এখন সেখানে গেরুয়া আবিরের প্রভাব রয়েছে। এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারী নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুর। কাজেই সেখানে শুভেন্দু প্রভাব থাকবে। একথা অস্বীকার করার জায়গা নেই। কেন প্রশাসন কোনও বক্তব্য রাখছে না? সেই প্রশ্ন উঠেছে। আগামী কাল শুনানি হবে আদালতে।












Click it and Unblock the Notifications