বঙ্গবন্ধুর ছবিতে কাপড়! ঘিরে ফেলা হল কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিস! কোন আশঙ্কায় এমন তৎপরতা পুলিশের?
Bangladesh Deputy High Commission Kolkata: যে কোনও সময়ে ক্ষোভে আঁচ আছড়ে পড়তে পারে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে! আর সেই আশঙ্কা থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হল কমিশনের। আগের থেকে অনেক বেশি নিরাপত্তা কলকাতা পুলিশের তরফে বাড়ানো হয়েছে। কমিশন সংলগ্ন সমস্ত গলি এবং এলাকাকে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে আরও বেশি মাত্রায় পুলিশ কর্মীদের।
এমনকি কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে (Bangladesh Deputy High Commission Kolkata) । গত পাঁচদিন কেটে গিয়েছে এখনও বাংলাদেশের জেলে বন্দি রয়েছেন সনাতনী জাগরণী জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী (Chinmoy Krishna Das Prabhu)।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh)। পথে নেমে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সে দেশে বসবাসকারী হিন্দু সংগঠনগুলি। এমনকি পথে নামছেন সংখ্যালঘু হিন্দুরাও। কার্যত বাংলাদেশ সেনার দমন নীতিকে অগ্রাহ্য করেই চলছে প্রতিবাদের আগুন। সেই ঘটনার রেশ আছড়ে পড়েছে কলকাতাতেও। পথে নামছে একাধিক হিন্দু সংগঠন। বৃহস্পতিবার বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের ডাকে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অভিযান করেন কয়েক হাজার সন্ন্যাসী।
যা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধ্বস্তাধস্তি বেঁধে যায়। কার্যত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন সংলগ্ন রাস্তা একেবারে রণক্ষেত্রের আকার নেয়। অনেকেই ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। কার্যত কোনও রকমে পুলিশ আধিকারিকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আর এরপরেই আজ শুক্রবার সকাল থেকে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে এলাকার নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। কাউকে ঢুকতে এবং বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি হাইকমিশনের দরজাও ঘিরে দেওয়া হয়েছে।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে বন্ধবন্ধুর একটি বড় ছবি ছিল। সেটিকে কমিশনের তরফে সম্পূর্ণ ঘিরে দেওয়া হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের সনাতনী জাগরণী জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারের প্রতিবাদে আজও কলকাতায় বিক্ষোভ চমিছিল আছে।
এমনকি এদিন সকালে নাম সংকির্তন গেয়ে প্রতিবাদ জানানো হয় কলকাতার ইসকন মন্দিরে। যেখান থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ইসকন যে কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠন নয়, সেই বার্তাও দেওয়া হয়। প্ল্যাকার্ড-ব্যানার হাতে প্রতিবাদ দেখাতে দেখা যায় ইসকনের সন্ন্যাসী এবং ভক্তদের।












Click it and Unblock the Notifications